সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভুলে ভরা মহাররম - মোহাম্মদ মিজান -

--ভুলে ভরা ১০ই মহাররম-------
----মোহাম্মদ মিজান
দুনিয়া সৃষ্টি এই ১০ই মহাররম ,
লোক মুখে শুনি,
সৃষ্টি হলেন আবার আদি পিতা
আদম হাওয়া জননী //

নিষিদ্ধ ফল খেয়ে আদম (আঃ )
এলেন এই দুনিয়াতে ,
১০ই মহাররমই তিনি ক্ষমা পেলেন
বহু আলেমের মতে //

সর্ব প্রথম আকাশ থেকে
নামে রহমতের বৃষ্টি ,
১০ ই মহাররমই নূহ্ নবীর প্লাবন
হয়েছিল নাকি সৃষ্টি /?

১০ ই মহাররম ক্ষমতা পেলেন
প্রিয় নবী সোলায়মান,
আবার দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে
আইয়ুব নবী মুক্তিপান//

জাতির পিতা ইব্রাহীম নবীকে
নুমরুদ ফেলে আগুনে ,
এই কথাটির সত্যতা যাচাই
করেছে বল ক'জনে /?

ঈসা নবী স্ব-শরীরেই গেলেন
মহান রবের দরবারে ,
ঈমাম হোসেন শহীদ হয়েছিলেন
ঐ কারবালার প্রান্তরে //

আবার কেয়ামত ও হবে জানি
মহাররমের দশ তারিখ ?
আল্লাহই ভালো জানেন এসব
কতখানি ভাই ঠিক//

এমন ৩১৩টি ঘটনা ঘটে নাকি
এই ১০ই মহাররম ---??
যার অধিকাংশ কুরআন হাদিসে
প্রমাণ মিলে কম//

আল্লাহর সাথে তূর পাহাড়ে
কথা বলেন মুছা (আঃ ) ,
এসব কথার সত্য দলিল আজো
খুঁজে নাহি পেলাম /

নীল নদে ডুবে ফেরাউন
এই ১০ই মহাররম,
এই ঘটনাই শুধু সত্য বলে-
বলেন ইমামে আজম//

তাইতো বিশ্ব মুসলিম এদিনে
রোযা রাখেন জানি,
আল্লাহ্‌র মাস এই মহাররম মাস
আমরা সবাই মানি //

আশুরা মানে শুধু কারবালা নয়
শোকের মাতম তাজিয়া?
আশুরা মানে ভালো খাবার নয়
কোরমা পোলাও রাঁধিয়া//

আশুরা খুঁজো আশুরা বুঝো
কোরআন হাদীস মতে,
সঠিক এবাদত করলে মুসলিম
রবে'যে জান্নাতের পথে//
রচনাকাল : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূলের এই দূর্দশা

 তৃণমূলের এই দূর্দশা লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  -----:----- দিনের বেলায় জিয়ার সৈনিক রাতের বেলায় গরু চোর, দলের পদ-পদবীতেও আছে  এই সমস্ত গাঁজাখোর। সেল্ফি তুলে নেতার সাথে দেখায় জনে জনে, গাও গ্রামের সাধারণ মানুষ তাকেও নেতা মানে। আসলে এরা সুবিধাভোগী ক্ষমতা লোভী চরম, আদপ লেহাজ মোটেও নাই নাই লজ্জা শরম । এরাই সমাজের বিষফোঁড়া দল ও জাতির কলঙ্ক,  তবুও কেনো এরা দলে আছে বুঝলাম না এই অংক!  দলীয় হাইকমান্ড কি দেখে না তৃণমূলের এই দূর্দশা,  দিনে দিনে বিএনপির উপর থেকে  উঠে যাচ্ছে ভরসা।  -----:---- কুয়েত থেকে  ০৭ /১০ /২০২৫ 

কবিতা :- অবহেলার ঋণ ও শেষ বিকেলের প্রাপ্তি

কবিতা :- অবহেলার ঋণ ও শেষ বিকেলের প্রাপ্তি লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  :::::---::::: ​সময়ের পিঠে চড়ে যৌবন যখন শেষের স্টেশনে থামে, তখন মানুষ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের হারানো দিনগুলো খোঁজে। যে নারী আজ শেষ বয়সে খিটখিটে মেজাজে স্বামীর প্রতি বিরক্তি ঝাড়ে, লোকে হয়তো তাকে 'অলক্ষ্মী' বলে গালি দেয়— কিন্তু কেউ তার সেই পুরনো ক্ষতগুলো খুলে দেখার চেষ্টা করে না। ​আসলে, শেষ বয়সে এসে এই অযাচিত অভিযোগগুলো হুট করে জন্ম নেয়নি তার মাঝে। এগুলো সেই বিষাক্ত অবহেলার ফল— যা তিনি পেয়েছিলেন তার পূর্ণ রূপবতী যৌবনের দিনগুলোতে। যখন তার একটু ভালোবাসার তৃষ্ণা ছিল আকাশচুম্বী, তখন তাকে দেয়া হয়েছিল নিদারুণ অবজ্ঞা আর একাকীত্বের বিষ। ​হয়তো সেদিন তার অভিমানগুলো কোনো এক অন্ধকার কোণে ডুকরে কেঁদেছিল, কিন্তু আজ সেই কান্নাই কণ্ঠে ধারালো ভাষা হয়ে ফিরে এসেছে। ​অথচ বাস্তবতা বড় সহজ হতে পারত— যদি যৌবনের সেই উত্তাল সময়ে স্ত্রীর হাতের তালুতে একটু যত্নের ছোঁয়া থাকত, যদি ক্লান্ত বিকেলে এক গ্লাস জলের সাথে উপহার দেয়া হতো সামান্য কৃতজ্ঞতা, তবে শেষ বয়সের এই ধূসর গোধূলি বেলাতে— সেই নারীই হতেন পরম নির্ভরতার এক শীতল বৃক্ষ। ​যৌবনে স্ত্রীকে ...

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের কবিতা 👉 অন্য বসন্তের গান

 অন্য বসন্তের গান লেখক ✍️ —মোহাম্মদ মিজান  সবাই যখন জেনেশুনে নির্দিষ্ট ছকে জীবনের নাম লেখে— বাবা কিংবা মা, ভাই কিংবা বোন— তখন জন্মেই কারো গায়ে সেঁটে যায় 'উপেক্ষা'র এক নিষ্ঠুর লেবেল। প্রকৃতি তাকে এঁকেছিল অন্য কোনো রঙের তুলিতে— কোমল, বিরল, অপূর্ব এক আলোয়। অথচ পৃথিবীর ব্যাকরণ তাকে চিনতেই ভুলে গেল। আয়নার সামনে দাঁড়ালে কোনো বিভাজন চোখে পড়ে না তাদের— শুধু থাকে এক জোড়া তৃষ্ণার্ত চোখ, যার ভেতরে লুকিয়ে আছে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন, ডানা মেলার গভীর আকুতি। কিন্তু রাজপথে যখন তারা নামে, মানুষের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিগুলো তলোয়ারের মতো বিঁধতে থাকে বুকের ঠিক মাঝখানে। প্রতিটি পদক্ষেপ হয়ে ওঠে একটি নীরব যুদ্ধ। তালি বাজানো সেই হাতগুলোর আড়ালে কত যে না-বলা হাহাকার জমে আছে— তার হিসেব কেউ কোনোদিন রাখেনি। তারাও তো চেয়েছিল কোনো এক দপ্তরে কলম ধরতে, বইয়ের পাতায় নিজের নাম লিখতে। চেয়েছিল প্রিয়জনের উষ্ণ হাত ধরে গোধূলির আলোয় নিভৃতে কথা বলতে। অথচ সমাজ তাদের শিখিয়ে দিল— বেঁচে থাকা মানে টিটকিরি আর করুণার মিশেলে এক অন্তহীন, ক্লান্তিকর যুদ্ধ। মাঝরাতে যখন দূর থেকে ট্রেনের বাঁশি ভেসে আসে, কিংবা নির্জন বস্তির ক...