সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ইসলামি ঐক্যের ডাক

​ইসলামী ঐক্যের ডাক

​(স্থায়ী)

চরমুনাইয়ের চরম ভুলে

ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট,

ওহে আলেম সমাজ

কেন দ্বিধান্বিত আজ

কেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে করছনা ভোট!

চরমুনাইয়ের চরম ভুলে

ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট

​(১ম অন্তরা)

দলে দলে শত ভাগ হয়ে আছো

স্বার্থের টানে দূরে সরে গেছ,

ব্যক্তিগত জেদ আর আমিত্বের লড়াইয়ে

আজ ইসলামের ঝাণ্ডা কেন মলিন হতে দিচ্ছ?

সময় থাকতে জাগো ওহে রাহবার

খুলে দাও হৃদয়ের বন্ধ কবাট।

চরমুনাইয়ের চরম ভুলে

ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট,

​(২য় অন্তরা)

বাতিলেরা আজ এক মঞ্চে হাসে

তোমাদের বিভেদ দেখে তারা উল্লাসে ভাসে,

মসজিদ-মাদ্রাসা সব যদি হয় বিপন্ন

কে দাঁড়াবে তখন দ্বীনের তরে পাশে?

এক কাতারে দাঁড়াও আজ ইমানি বলে

মুছে দাও সব সংশয়ের এই জট।

​(৩য় অন্তরা)

রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি রাজপথে

শহীদেরা আজো চেয়ে আছে এই পথে,

বিভেদের বিষবাষ্প দুরে ঠেলে দিয়ে

চলো মিলি সবাই এক নেতারই সাথে।

যদি চাও খোদার রহমত আর বিজয়

তবে চুরমার করো অহংকারের সব ঘট।

(৪র্থ অন্তরা)

আদর্শের নামে কেন এত দলাদলি

ভুলে গেলে কি নবীর সেই মূল বুলি?

তুচ্ছ বিষয়ে আজ বিভেদ বাড়িয়ে

দুশমনকে দিচ্ছ সুযোগ তুলি।

এক নবীর উম্মত হয়ে কেন তবে

হৃদয়ে পুষে রাখা হিংষার এই তট?

​(৫ম অন্তরা)

আলেম যদি হয় আলেমেরই প্রতিকূল

তবে তো পথ হারাবে এই কাফেলা নির্ভুল।

মানুষ খুঁজে ফেরে একতার ছায়া

তোমরা যদি আজ করো এই মস্ত ভুল।

জেগে ওঠো হে মুসলিম বীর সেনানী

ভাঙো তবে এই অনৈক্যের সব পট।

​(স্থায়ী)

যদি কুরআনের বিধান চাও

তবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাও

ছেড়ে দাবী উদ্ভট,

​চরমুনাইয়ের চরম ভুলে

ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট,

ওহে আলেম সমাজ

কেন দ্বিধান্বিত আজ

কেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে করছনা ভোট।

​(স্থায়ী - শেষাংশ)

যদি কুরআনের বিধান চাও

তবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাও

ছেড়ে দাবী উদ্ভট,

​চরমুনাইয়ের চরম ভুলে

ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট,

ওহে আলেম সমাজ

কেন দ্বিধান্বিত আজ

কেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে করছনা ভোট।

✍️ মোহাম্মদ মিজান

কুয়েত থেকে  

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

তৃণমূলের এই দূর্দশা

 তৃণমূলের এই দূর্দশা লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  -----:----- দিনের বেলায় জিয়ার সৈনিক রাতের বেলায় গরু চোর, দলের পদ-পদবীতেও আছে  এই সমস্ত গাঁজাখোর। সেল্ফি তুলে নেতার সাথে দেখায় জনে জনে, গাও গ্রামের সাধারণ মানুষ তাকেও নেতা মানে। আসলে এরা সুবিধাভোগী ক্ষমতা লোভী চরম, আদপ লেহাজ মোটেও নাই নাই লজ্জা শরম । এরাই সমাজের বিষফোঁড়া দল ও জাতির কলঙ্ক,  তবুও কেনো এরা দলে আছে বুঝলাম না এই অংক!  দলীয় হাইকমান্ড কি দেখে না তৃণমূলের এই দূর্দশা,  দিনে দিনে বিএনপির উপর থেকে  উঠে যাচ্ছে ভরসা।  -----:---- কুয়েত থেকে  ০৭ /১০ /২০২৫ 

কবিতা :- অবহেলার ঋণ ও শেষ বিকেলের প্রাপ্তি

কবিতা :- অবহেলার ঋণ ও শেষ বিকেলের প্রাপ্তি লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  :::::---::::: ​সময়ের পিঠে চড়ে যৌবন যখন শেষের স্টেশনে থামে, তখন মানুষ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের হারানো দিনগুলো খোঁজে। যে নারী আজ শেষ বয়সে খিটখিটে মেজাজে স্বামীর প্রতি বিরক্তি ঝাড়ে, লোকে হয়তো তাকে 'অলক্ষ্মী' বলে গালি দেয়— কিন্তু কেউ তার সেই পুরনো ক্ষতগুলো খুলে দেখার চেষ্টা করে না। ​আসলে, শেষ বয়সে এসে এই অযাচিত অভিযোগগুলো হুট করে জন্ম নেয়নি তার মাঝে। এগুলো সেই বিষাক্ত অবহেলার ফল— যা তিনি পেয়েছিলেন তার পূর্ণ রূপবতী যৌবনের দিনগুলোতে। যখন তার একটু ভালোবাসার তৃষ্ণা ছিল আকাশচুম্বী, তখন তাকে দেয়া হয়েছিল নিদারুণ অবজ্ঞা আর একাকীত্বের বিষ। ​হয়তো সেদিন তার অভিমানগুলো কোনো এক অন্ধকার কোণে ডুকরে কেঁদেছিল, কিন্তু আজ সেই কান্নাই কণ্ঠে ধারালো ভাষা হয়ে ফিরে এসেছে। ​অথচ বাস্তবতা বড় সহজ হতে পারত— যদি যৌবনের সেই উত্তাল সময়ে স্ত্রীর হাতের তালুতে একটু যত্নের ছোঁয়া থাকত, যদি ক্লান্ত বিকেলে এক গ্লাস জলের সাথে উপহার দেয়া হতো সামান্য কৃতজ্ঞতা, তবে শেষ বয়সের এই ধূসর গোধূলি বেলাতে— সেই নারীই হতেন পরম নির্ভরতার এক শীতল বৃক্ষ। ​যৌবনে স্ত্রীকে ...

তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের কবিতা 👉 অন্য বসন্তের গান

 অন্য বসন্তের গান লেখক ✍️ —মোহাম্মদ মিজান  সবাই যখন জেনেশুনে নির্দিষ্ট ছকে জীবনের নাম লেখে— বাবা কিংবা মা, ভাই কিংবা বোন— তখন জন্মেই কারো গায়ে সেঁটে যায় 'উপেক্ষা'র এক নিষ্ঠুর লেবেল। প্রকৃতি তাকে এঁকেছিল অন্য কোনো রঙের তুলিতে— কোমল, বিরল, অপূর্ব এক আলোয়। অথচ পৃথিবীর ব্যাকরণ তাকে চিনতেই ভুলে গেল। আয়নার সামনে দাঁড়ালে কোনো বিভাজন চোখে পড়ে না তাদের— শুধু থাকে এক জোড়া তৃষ্ণার্ত চোখ, যার ভেতরে লুকিয়ে আছে আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন, ডানা মেলার গভীর আকুতি। কিন্তু রাজপথে যখন তারা নামে, মানুষের তীক্ষ্ণ দৃষ্টিগুলো তলোয়ারের মতো বিঁধতে থাকে বুকের ঠিক মাঝখানে। প্রতিটি পদক্ষেপ হয়ে ওঠে একটি নীরব যুদ্ধ। তালি বাজানো সেই হাতগুলোর আড়ালে কত যে না-বলা হাহাকার জমে আছে— তার হিসেব কেউ কোনোদিন রাখেনি। তারাও তো চেয়েছিল কোনো এক দপ্তরে কলম ধরতে, বইয়ের পাতায় নিজের নাম লিখতে। চেয়েছিল প্রিয়জনের উষ্ণ হাত ধরে গোধূলির আলোয় নিভৃতে কথা বলতে। অথচ সমাজ তাদের শিখিয়ে দিল— বেঁচে থাকা মানে টিটকিরি আর করুণার মিশেলে এক অন্তহীন, ক্লান্তিকর যুদ্ধ। মাঝরাতে যখন দূর থেকে ট্রেনের বাঁশি ভেসে আসে, কিংবা নির্জন বস্তির ক...