সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

দশই মহরম

  ----- ১০ই মহরম ------- ------ মোহাম্মদ মিজান   দুনিয়া সৃষ্টি ১০ই মহরম ,             ১০ই মহরম সৃষ্টি হলেন                            আদি পিতা আদম // নিষিদ্ধ ফল খেয়ে আদম          ১০ই মহরম এলেন দুনিয়া ,                ১০ই মহরম কবুল হলো                           আদম নবীর দোয়া //  সর্ব প্রথম আকাশ থেকে             নামে রহমতের বৃষ্টি ,             ১০ ই মহরম নূহ্ নবীর                   থামে প্লাবন আর কিস্তী // ১০ ই মহরম ক্ষমতা পেলেন            প্রিয় নবী সোলায়মান ,              দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে                     আইয়ুব ন...

ছায়ামানবের স্বরলিপি

 ছায়ামানবের স্বরলিপি -:-✍️  ​আমি এক ছায়ামানব— আলোর ঝলমলে বৃত্ত থেকে বহু দূরে ছিটকে পড়া এক অস্পষ্ট অবয়ব। ​বিবর্ণ আমার সব গৌরব! যেসব সাফল্যের মুকুট একদিন অহংকার হয়ে মাথায় ছিল, আজ তারা সময়ের ধুলোয় মলিন, এক বিবর্ণ স্মৃতির কঙ্কাল মাত্র। ​আমি জানি, এই স্বার্থপর আর কোলাহলমুখর পৃথিবীতে আমি এখন বড্ড অবাঞ্ছিত। কেউ আর চেনা নামে ডাকে না, কেউ বাড়িয়ে দেয় না একটুখানি বিশ্বস্ত হাত। প্রয়োজনের খাতা থেকে আমার নামটি মুছে গেছে চরম অবহেলায়। চারপাশে এক অদ্ভুত, বুক কাঁপানো শূন্যতা—যেন আমি বেঁচে থেকেও এক জীবন্ত লাশ! ​তবুও... এই চরম উপেক্ষার দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরও, বুক চিতিয়ে আমি উচ্চকণ্ঠে বলি—"আমি গর্বিত।" কারণ, হারিয়ে যাওয়ার আগে আমি মন উজাড় করে ভালোবাসতে জেনেছিলাম। ভেঙে পড়ার আগে লড়েছিলাম জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে। কোনো ছকবাঁধা অভিনয় আমি করিনি। আমার এই পতন কোনো পরাজয় নয়, বরং নিজের সত্য আর আত্মসম্মানে অটল থাকার এক অহংকারী ইতিহাস। ​আমি আজ ছায়া হয়েও তাই নিজের আত্মবিশ্বাসের আলোয় নিজেই উদ্ভাসিত! লেখক ✍️ ​— মোহাম্মদ মিজান 📍 কুয়েত থেকে ​২৫ /০৬ /২০২৬  #ছায়ামানবের_স্বরলিপি #বাংলা_কবিতা #আবেগ #বাস্...

কবিতা : সময়ের দান

কবিতা :- সময়ের দান ​টাকার অহংকার একদিন ধুলোয় মিশে যায় , গাড়ি, বাড়ি আর গয়নার চকমকে আলো স্মৃতির পাতায় মলিন হয়ে যায় একসময়। মানুষ ভুলে যায় কত পেয়েছিল, মানুষ ভুলে যায় বৈভবের হিসেব। ​কিন্তু সময়? সময় সে তো এক জাদুকর। যে নরম চারাগাছটি আজ অবহেলায় দাঁড়িয়ে, সময় তাকেই একদিন রূপ দেয় মহীরুহে—সাক্ষী রেখে যায় এক বিশাল অশ্বত্থের। ​হৃদয় উজার করে কাউকে ধনদৌলত নয়, যদি একমুহূর্ত আন্তরিক ভালোবাসা মেশানো সময় দাও— তবে সেই মুহূর্তটাই অমর হয়ে রয়। কোনো সিন্দুক বা লকার নয়, সেটা জমা থাকে মানুষের মনের সবচেয়ে নিরাপদ কোণে। ​টাকা দিয়ে হয়তো দুনিয়া কেনা যায়, কিন্তু এক টুকরো খাঁটি সময় দিয়ে যে চিরদিনের মতো একটা মানুষের মন জয় করা যায় আমরা কজনেই তা জানি! তাইতো পবিত্র কুরআনের সূরা আল আসরে মহান আল্লাহ পাক সময়ের কসম করেছিলেন। -:-  লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান কুয়েত থেকে  ২৪ /৬/২০২৬  সময় সকাল 9:59 

পলাশীর শোকগাথা: নবাব সিরাজউদ্দৌলা, মীরমদন ও মোহনলালের বীরত্বগাথা

  ​🖤 পলাশীর শোকগাথা: নবাব সিরাজউদ্দৌলা, মীরমদন ও মোহনলালের বীরত্বগাথা 🖤 ​১৭৫৭ সালের ২৩ জুন। পলাশীর আম্রকাননে বাংলার স্বাধীনতার যে সূর্য অস্তমিত হয়েছিল, তা শুধু একটি যুদ্ধের পরাজয় ছিল না; বরং তা ছিল এদেশীয় কিছু বিশ্বাসঘাতক এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চক্রান্তের এক চরম দলিল। আমি মোহাম্মদ মিজান, আমার বিভিন্ন কবিতায় মীরজাফর, ঘসেটি বেগম, উমিচাঁদদের চরম বিশ্বাসঘাতকতার কথা যেমন তুলে ধরেছি, তেমনি নবাব সিরাজউদ্দৌলা, মীরমদন ও মোহনলালের দেশপ্রেম ও বীরত্বগাথাকে বারবার স্মরণ করেছি। আজ আবারও সেই রক্তক্ষরা ইতিহাসকে নতুন করে লেখার এই প্রয়াস। ​👑 পটভূমি ও নবাব সিরাজউদ্দৌলা: চতুর্মুখী ষড়যন্ত্রের জালে তরুণ নবাব ​১৭৫৬ সালের এপ্রিল মাসে মাত্র ২৩ বছর বয়সে বাংলার মসনদে বসেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। সিংহাসনে আরোহণের পর থেকেই তাকে একাধারে অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক শত্রুর মুখোমুখি হতে হয়: ​ অভ্যন্তরীণ কুচক্রী মহল: নবাবের আপন খালা ঘসেটি বেগম এবং প্রধান সেনাপতি মীরজাফর আলী খান শুরু থেকেই সিরাজকে হঠানোর চক্রান্তে লিপ্ত ছিলেন। এর সাথে যুক্ত হয় জগৎশেঠ, রায়দুর্লভ ও উমিচাঁদের মতো প্রভাবশালী ও লোভী বণিক শ্রেণী।...

সিস্টেম চলছে আজব

 সিস্টেম চলছে আজব  লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  :-২২/০৬/২০২৬ - : শিলং উদ্দিন কোথায় আছেন দেখছেন না কি এসব! স্বাধীন সোনার বাংলাদেশটায় সিস্টেম চলছে আজব। নিষিদ্ধরাও প্রসিদ্ধ দেখলাম আইনশৃঙ্খলা ঘুমে, লোকে বলছে শিলং সাহেব আতাত করে জুমে। ​কিসের নীতি, কিসের শাসন? আইন আদালত ছাড়ো , সুযোগ বুঝে লুটেপুটে নিচ্ছে  যার হাত যতো বড়ো। জনগণ আজ জিম্মি হয়ে দিনের আলোয় কাঁদে, সত্যবাদীরা আটকা পড়ে অন্যায়কারীদের ফাঁদে। ​আইন নাকি সবার সমান বইয়ের পাতায় লেখা, বাস্তবে ভাই উল্টো নিয়ম টাকায় মেলে দেখা। সোনার দেশে এমন বিচার দেখলে পরান ফাটে, ন্যায্য কথা বলতে গেলে হুমকি আসে ঘাটে। ​তবুও যে মিজান স্বপ্ন দেখে আসবে নতুন ভোর, ভাঙবে একদিন অন্যায়ের এ শক্ত কালো ডোর। ----:----- কুয়েত থেকে 

কবিতা —স্বৈরাচারের চেয়েও খারাপ

 স্বৈরাচারের চেয়েও খারাপ  লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  -:- শুনেছিলাম ওরা রগ কাটে দেখিনি কভু আমি, তোরা তো আজ গলা কেটে কামালে বদনামি। ক্ষমতায় গিয়ে একশত দিনে ছয় শত এক খুন! স্বৈরাচারের চেয়েও দেখলাম তোমাদের বড় গুণ। বক্তব্যেই শুধু গণতন্ত্রের ঝরছে মধুর বাণী, পেছনে চলছে প্রতিশোধ আর রক্তের কানাকানি। ​আসন পেয়েই ভুলেছ অতীত ভুলেছ ন্যায়ের পথ, অন্যায়েরই চাকার নিচে পিষ্ট মানব রথ। ​আইন আদালত নিজেদের হাতে তুলেছ নির্বিচারে, আজকে বিচার চাইতে মানুষ কাঁদে গো দ্বারে দ্বারে। ​পরিবর্তনের গান গেয়ে তোমরা এনেছ নতুন কাল, একই শোষণের বৃত্তে বন্দি আজ সাধারণের কপাল। ওহে প্রিয় জুলাই বিপ্লবী বীরেরা  ঘুমিয়ে পড়েছ নাকি?  ফিরাতে সুদিন আসল বিপ্লব যে এখনো রয়েছে বাকি।  ----:---- কুয়েত থেকে ২১ /০৬/২০২৬ 

কবিতা :ক্ষমতার হাট

 #কবিতা ক্ষমতার হাট ​বংশের নামে, ছেলের নামে,  চলছে নামের হাট, ভাতিজি ও বাদ যায়নি রে,  বাড়ছে ক্ষমতার জাঁত। বৌদির নামটা ভুলে গেলেন?  এ কেমন আপনার মন! সবাইকে তো বিলিয়ে দিলেন   দেশের সব প্রাঙ্গণ। ​লন্ডনপ্রবাসী ভাতিজির নামে করে স্বর্ণে’র স্বর্ণগ্রাম, ছেলের নামে সীমান্ত আর  দিগন্তের দিলে নাম। নিজের বংশ ‘মীর’ বাঁচাতে  মীরবাড়ি - ইউনিয়ন, বাকি রইলো বৌদির নামটা  কাঁদছে তাহার মন! মহা ​প্যে লে ন-এর সূত্র ধরে  দিচ্ছেন সবই লিখে, এমনে চললে দেশটা এবার  উঠবে নিলামের দিকে । লক্ষ শহীদের রক্ত জল করা  বাংলাদেশের এই রেখা, আপনার ঘরের দলিল নাকি?  জবাব তো দিতেই হবে একা! _-_-কুয়েত থেকে - _-_- লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান 

​ইতিহাসের আদালত ও এক নির্বাসিত বিবেক

 ​ইতিহাসের আদালত ও এক নির্বাসিত বিবেক ---:---- ​আমি সেই ভিটেমাটির গন্ধ আজও বুকে বয়ে বেড়াই, যার আকাশ আমাকে প্রথম স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিল। অথচ আজ আমি দূর পরবাসের তপ্ত মরুরু এক কঠিন শয্যায় শুয়ে আকাশের তারা গুনি। আমার কোনো অপরাধ ছিল না—আমি লুণ্ঠন করিনি, সিংহাসন দখলের ষড়যন্ত্রে মাতিনি, কিংবা মেকি চাটুকারিতায় মেতে শাসকের দরবারে পুরস্কারের থালিও ভিক্ষা করিনি। আমার একমাত্র অপরাধ ছিল, আমি সত্যকে সত্য বলতে পেরেছিলাম; শাসকের রক্তচক্ষুর সামনে দাঁড়িয়ে মিথ্যার কাছে নত করিনি আমার শির। ​কালের কী অদ্ভুত পরিহাস! যুগে যুগে যারা সত্য উচ্চারণ করেছে, স্বদেশ তাদের দিয়েছে নির্বাসন, আর মিথ্যার সেবাদাসেরা পেয়েছে প্রাসাদের বিলাসিতা। শিকল আজ সত্যের হাতে, আর চাটুকারেরা মত্ত শাসকের বন্দনায়। কিন্তু আমি জানি, সময় এক নির্মম বিচারক। সে কারও তোষামোদ করে না, সে শুধু ধীরস্থায়ী অপেক্ষায় থাকে—যতক্ষণ না মিথ্যার মুখোশটি ধুলোয় খসে পড়ে। ​ক্ষমতা যাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে চেয়েছিল, একদিন তাদের দর্শনই হয়ে ওঠে ইতিহাসের পাঠ্য বই। শরীরটা হয়তো দূর পরবাসের কোনো অচেনা মাটিতে মিশে যায়, কিন্তু আদর্শিক বীরের বেশে তারা ফিরে আসে শত-সহস্র বছ...

প্রয়োজন ও উপেক্ষার সমীকরণ

প্রয়োজন ও উপেক্ষার সমীকরণ -:-কবিতা-:- মানুষ তোমাকে ততক্ষণই মূল্য দিবে,  যতক্ষণ তুমি তার প্রয়োজন মিটাবে। মানুষ তোমাকে সে'সময় দূরে ঠেলে দিবে, যে সময় তুমি তোমার নিজের চিন্তা করবে। ​এখানে কেউ কাউকে অকারণে মনে রাখে না, বন্ধু। এই শহরের আলো-ঝলমলে চত্বর কিংবা গ্রামের ধুলোমাখা পথ— সবখানেই সম্পর্কের সুতোগুলো বাঁধা থাকে এক অদৃশ্য প্রয়োজনে। ​ততক্ষণই তুমি প্রিয়, ততক্ষণই তুমি অনিন্দ্য সুন্দর, যতক্ষণ তোমার দুহাত উজাড় করে তুমি বিলিয়ে দিতে পারো স্বার্থের অর্ঘ্য। যতক্ষণ অন্যের তৃষ্ণায় তুমি হয়ে ওঠো শীতল জলপ্রপাত, কিংবা তাদের ক্লান্তিতে এক চিলতে বটবৃক্ষের ছায়া। ততক্ষণই তোমার কদর, ততক্ষণই তোমার নামে চারদিকে জয়ধ্বনি। ​কিন্তু যেই মুহূর্তে ফুরিয়ে যায় সেই চড়া চাহিদার দিন, কিংবা যখন ক্লান্ত পায়ে তুমি একটু থমকে দাঁড়াও, আর নিজের ক্ষয়ে যাওয়া বুকটার দিকে তাকিয়ে ভাবো— "এবার একটু নিজের জন্য বাঁচি," ঠিক তখনই অলিখিত নিয়মেরা রঙ বদলাতে শুরু করে। ​নিজের একটুখানি ভালো থাকা, নিজের একটুখানি আত্মমর্যাদা— যখনই তুমি এসব নিয়ে ভাবতে যাবে, পৃথিবী তোমাকে এক নিমেষে দাগিয়ে দেবে 'স্বার্থপর' বলে। যে হাতগুলো চি...

​জনগণের আমানত রক্ষা হোক: ইসলামী ব্যাংকের সামনে লুটেরাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ! ✊🇧🇩

 ​জনগণের আমানত রক্ষা হোক: ইসলামী ব্যাংকের সামনে লুটেরাদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ! ✊🇧🇩 ​আজ ১ জুন ২০২৬, রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আবারও এক নজিরবিহীন ও সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা যখন তাদের কষ্টের আমানত ও প্রতিষ্ঠানের স্বকীয়তা রক্ষার দাবিতে রাজপথে দাঁড়িয়েছেন, তখন তাদের ওপর চড়াও হয়েছে পুলিশ বাহিনী। রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান আর টিয়ার শেলের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মতিঝিল এলাকা। ​খবর অনুযায়ী, পুলিশের এই অতর্কিত ও বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। তবে এত বড় দমন-পীড়নের পরেও গ্রাহক ও সাধারণ জনতা দমে যাননি। তাদের দৃঢ় প্রতিরোধ এবং অনড় অবস্থানের কারণে হামলার পরেও তারা প্রধান কার্যালয়ের সামনে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। ​📌 ইতিহাসের আয়নায় ইসলামী ব্যাংক: এই সম্পদ কার? ১৯৮৩ সালে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রথম শরীয়াহভিত্তিক ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (বর্তমান নাম: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি) প্রতিষ্ঠার পেছনে ২২ জন দেশীয় উদ্যোক্তা (ব্...

জনগণের আমানত রক্ষা হোক:

 জনগণের আমানত রক্ষা হোক: ইসলামী ব্যাংকের সামনে লুটেরাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ​আজ ১ জুন ২০২৬, রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে আবারও এক নজিরবিহীন ও সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা যখন তাদের কষ্টের আমানত ও প্রতিষ্ঠানের স্বকীয়তা রক্ষার দাবিতে রাজপথে দাঁড়িয়েছেন, তখন তাদের ওপর চড়াও হয়েছে পুলিশ বাহিনী। রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড, জলকামান আর টিয়ার শেলের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে পুরো মতিঝিল এলাকা। ​খবর অনুযায়ী, পুলিশের এই অতর্কিত ও বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। তবে এত বড় দমন-পীড়নের পরেও গ্রাহক ও সাধারণ জনতা দমে যাননি। তাদের দৃঢ় প্রতিরোধ এবং অনড় অবস্থানের কারণে হামলার পরেও তারা প্রধান কার্যালয়ের সামনে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। ​আন্দোলনের মূল কারণ কী? ​বিগত বছরগুলোতে দেশের অন্যতম শীর্ষ শরিয়াহভিত্তিক এই ব্যাংকটিকে যেভাবে এস আলম গ্রুপ এবং তাদের দোসররা ক্ষমতার জোরে কুক্ষিগত করে রেখেছিল, তার ক্ষত এখনও শুকায়নি। সাধারণ মানুষের অভিযোগ—বিতর্কিত এস আলম বাহিনীর সেই পুরোনো দখলদারিত্ব এব...