#কবিতা ক্ষমতার হাট বংশের নামে, ছেলের নামে, চলছে নামের হাট, ভাতিজি ও বাদ যায়নি রে, বাড়ছে ক্ষমতার জাঁত। বৌদির নামটা ভুলে গেলেন? এ কেমন আপনার মন! সবাইকে তো বিলিয়ে দিলেন দেশের সব প্রাঙ্গণ। লন্ডনপ্রবাসী ভাতিজির নামে করে স্বর্ণে’র স্বর্ণগ্রাম, ছেলের নামে সীমান্ত আর দিগন্তের দিলে নাম। নিজের বংশ ‘মীর’ বাঁচাতে মীরবাড়ি - ইউনিয়ন, বাকি রইলো বৌদির নামটা কাঁদছে তাহার মন! মহা প্যে লে ন-এর সূত্র ধরে দিচ্ছেন সবই লিখে, এমনে চললে দেশটা এবার উঠবে নিলামের দিকে । লক্ষ শহীদের রক্ত জল করা বাংলাদেশের এই রেখা, আপনার ঘরের দলিল নাকি? জবাব তো দিতেই হবে একা! _-_-কুয়েত থেকে - _-_- লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান
ইতিহাসের আদালত ও এক নির্বাসিত বিবেক ---:---- আমি সেই ভিটেমাটির গন্ধ আজও বুকে বয়ে বেড়াই, যার আকাশ আমাকে প্রথম স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছিল। অথচ আজ আমি দূর পরবাসের তপ্ত মরুরু এক কঠিন শয্যায় শুয়ে আকাশের তারা গুনি। আমার কোনো অপরাধ ছিল না—আমি লুণ্ঠন করিনি, সিংহাসন দখলের ষড়যন্ত্রে মাতিনি, কিংবা মেকি চাটুকারিতায় মেতে শাসকের দরবারে পুরস্কারের থালিও ভিক্ষা করিনি। আমার একমাত্র অপরাধ ছিল, আমি সত্যকে সত্য বলতে পেরেছিলাম; শাসকের রক্তচক্ষুর সামনে দাঁড়িয়ে মিথ্যার কাছে নত করিনি আমার শির। কালের কী অদ্ভুত পরিহাস! যুগে যুগে যারা সত্য উচ্চারণ করেছে, স্বদেশ তাদের দিয়েছে নির্বাসন, আর মিথ্যার সেবাদাসেরা পেয়েছে প্রাসাদের বিলাসিতা। শিকল আজ সত্যের হাতে, আর চাটুকারেরা মত্ত শাসকের বন্দনায়। কিন্তু আমি জানি, সময় এক নির্মম বিচারক। সে কারও তোষামোদ করে না, সে শুধু ধীরস্থায়ী অপেক্ষায় থাকে—যতক্ষণ না মিথ্যার মুখোশটি ধুলোয় খসে পড়ে। ক্ষমতা যাদের কণ্ঠ স্তব্ধ করতে চেয়েছিল, একদিন তাদের দর্শনই হয়ে ওঠে ইতিহাসের পাঠ্য বই। শরীরটা হয়তো দূর পরবাসের কোনো অচেনা মাটিতে মিশে যায়, কিন্তু আদর্শিক বীরের বেশে তারা ফিরে আসে শত-সহস্র বছ...