সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

সন্ত্রাসী দেল্লায় কল্লা নিবে

সন্ত্রাসী দেল্লা কল্লা নিবে লেখক: ✍️ মোহাম্মদ মিজান -----:---- ​সন্ত্রাসী দেল্লায় আমার কল্লা নিবে টোকাই নেতায় দিবে ঝুলাই, এই ভয়েই আমি মোহাম্মদ মিজান আছি প্রবাসে এখন লুকাই। ​দেল্লার পোলা গাঁজা ব্যবসায়ী আরো করে চুরিচামারি, দেল্লায় করে শালিস বাণিজ্য দেখায় ক্ষমতার বাহাদুরি। ​দেল্লার পোলা মাদক মামলায় সীতাকুণ্ডে ছিল আটক, মামলা আছে সোনাগাজী থানায় তবুও যে নড়েনি টনক। ​অটোরিকশার ব্যাটারি চোর হয়েছিল তার প্রমাণ, সে সব কথা প্রকাশ্যে আসায় নিতে চায় মোর প্রাণ। ​প্রতারক দেল্লা নিতে চায় কল্লা সত্য বলেছি আমি তাই, পেশাহীন নেশাখোর এ দেল্লার চাঁদাবাজির কথা ভুলি নাই। ​সন্ত্রাসী দেল্লায় আমার কল্লা নিবে টোকাই নেতায় দিবে ঝুলাই, এই ভয়েই আমি মোহাম্মদ মিজান আছি প্রবাসে এখন লুকাই। ​সত্য বলায় স্বৈরাচারের আমলে হারিয়েছি বাড়ি ঘর সম্পদ, এক যুগ ধরে দেশান্তরী হয়ে আছি হত্যার হুমকির মতো বিপদ। ​জুলাই বিপ্লবের পরেও সত্য বলে আছি জীবন হারানোর শঙ্কায়, এ কেমন দেশে জন্ম হলো আমার এ প্রশ্নটি বাজে মনের ঢংকায়? ​পাড়ার বখাটে নেতা হয়ে হাঁটে, যা খুশি তাই করে মাঠে ঘাটে। ভয়ে থাকে সাধারণ জনগণ, রাজনীতির নোংরা খেলায় আর কত যাবে ...

অন্ধকারের চিৎকার

 অন্ধকারের চিৎকার লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান জন্মের আগেই যে পাপ আমাদের গায়ে জড়িয়ে দেওয়া হয়, তা তো শৈশবের কোনো ভুল নয়— তা এই বিবেকহীন সমাজের নিজ হাতে গড়া এক অভিশাপ। আমরা তো চেয়েছিলাম বাঁচতে, আলোয় ভরা এক ছোট্ট ক্যানভাসে নিজেদের স্বপ্ন আঁকতে— অথচ ওরা এসে সেই ক্যানভাসে ছিটিয়ে দিল নিকষ কালো, কুৎসিত এক অন্ধকারের রং। চোখের সামনে বিবেক আজ নিলামে ওঠে শহরের কোনো এক সস্তা মোড়ে, পচে যাওয়া নীতির চাদরে ঢাকা এক নষ্ট সমাজ প্রতি পদক্ষেপে যেন আমাদের গিলে খেতে চায়। কোথায় নিয়ে এলো ওরা আমাদের এই সভ্যতাকে? যেখানে সত্য বলাটাই আজ অপরাধ, আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে একটা শব্দ উচ্চারণ মানেই নিজের নিঃশ্বাসটুকু হারিয়ে ফেলা। আজ আমরা দাঁড়িয়ে আছি এক নির্জন, শূন্য গহ্বরে, চারদিকে শুধু স্বার্থ আর ভণ্ডামির পাথুরে উঁচু দেয়াল। প্রতিটি দেয়াল যেন আমাদের দিকে তাকিয়ে বিদ্রূপে হাসে, নীরবে মনে করিয়ে দেয়— আমরা কোনো মুক্ত ভোরের অনুসন্ধানী নই, আমরা শুধু এক বন্দী সময়ের নিঃশব্দ সাক্ষী, যাদের কণ্ঠ আজ অন্ধকারের গভীরে মিলিয়ে গেছে। কুয়েত থেকে ২৫/০৮/২০২৬

কবিতা ষড়যন্ত্র

 ষড়ষন্ত্র — মোহাম্মদ মিজান ​ষড়যন্ত্রের কল, আ'লীগ নাকি দল! কোন্টা আসল, বল! কে যে কার আদল? ​ষড়যন্ত্রের ফাঁদ, ক্ষমতার উন্মাদ! কে মুছে কার গাদ? দিন দিন বাড়ছে বিবাদ। ​মিথ্যার বেড়াজাল, বদলে যাচ্ছে কাল! কে ধরবে কার হাল? কবে যে হবে সকাল? ​কে মন্দ, কে সৎ? কোন্টা যে ভবিষ্যৎ? বিপদ-আপদ, মসিবত কত কী দেখালে এযাবৎ। ​চেহারাটা জড়ালে মুখোশের আড়ালে। স্বার্থের টানে দাঁড়ালে, সত্যকে কাফনে মোড়ালে। ​(কুয়েত থেকে) (০৫/০৮/২০২৬)

জীবনের ক্ষয় ও ক্ষোভ

 জীবনের ক্ষয় ও ক্ষোভ ​লেখক: মোহাম্মদ মিজান ​শরীরটা আর আগের মতো দেয় না এখন সাড়া, ছোটবেলার মতো আর ঘুরে বেড়াই না পাড়া। ​চুলে আমার পাক ধরেছে চামড়া হয়েছে ঢিলে, যত্নে রাখা ছবির সাথে চেহারা নাহি মিলে। ​বন্ধুরা আজ এড়িয়ে চলে কয় না কথা তেমন, মনটা আমার উড়ু উড়ু লাগছে যেন কেমন! ​যৌবননদে ভাটা পড়েছে নাও বায় না মাঝি, দুঃখের হাটে সুখে থাকতে রাখছি জীবন বাজি। ​কলঙ্কটাই হোক প্রতিদান ভালোবাসার বদলে, সবকিছু তো হারিয়ে যায় সময়-স্রোতের ছলে! ​দেহ-মন আর পেটের ক্ষুধা জাত-ধর্ম কি মেটায়? একলা মানুষ আঁধার রাতে স্মৃতির পাতা ওল্টায়। ​আশার আলো নিভে আসে জমে বেদনার মেঘ, বুঝল না কেউ দিনশেষে এই একাকীত্বের বেগ। ----:--- কুয়েত থেকে 

কবিতা: ​কাকা প্ল্যান ফাঁস

 ​কাকা প্ল্যান ফাঁস ​লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান ০২/০৮/২০২৬ ​চাঁদার তরে জীবন ঝরে, তাও আবার দশ টাকা! হুনছনি বা দেখছনি বা আমার ক্ষমতার কাকা? ​ক্ষমতার গরম দেখাও পকেট খালি গরিবের, ন্যায়বিচার উধাও করে চাটছো জুতা মনিবের। ​রিকশাওয়ালা ঘাম ঝরায়ে কষ্টে কামায় দু-পয়সা, চাঁদার দাবি না মিটালেই থাপ্পড় মারো হাত কইষা। ​সবার জন্য সমান আইন বইয়ের পাতায় লেখা, আসল রাতে পাহারাদারই দেয় ডাকাত হইয়া দেখা! ​ক্ষমতার কাকা ঘুমায় সুখে মুখটি তাহার বন্ধ, এসব নিয়ে কথা বললেই চোখ করে দেয় অন্ধ। ​দেশ-জনগণ বুঝে গেছে কাকার প্ল্যান কিতা, তাই তো কাকার মিঠা কথা লাগছে ভীষণ তিতা। ​সময় থাকতে কুত্তা সামলাও শুনো প্রাণের কাকা, জনগণ মাঠে নামলে কিন্তু খুলবে ক্ষমতার চাকা। -​কুয়েত থেকে-  মোহাম্মদ মিজান