সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুলাই, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

থেমে যেও না ✍️ মোহাম্মদ মিজান

 থেমে যেও না  ---:--- তোমার সমালোচনা তারাই করবে যারা তোমার যোগ্যতাকে মেনে নিতে পারছে না। এরা তোমার বিরুদ্ধে এমন সব মিথ্যা ও বানোয়াট প্রোপাগান্ডা ছড়াবে যা অত্যন্ত হাস্যকর ও তুচ্ছ বিষয় । আসলে এরা চায় না তুমি সফল হও,  সম্মানিত হও, তোমার সুনাম খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র।  খোঁজ নিয়ে দেখ এদের অনেকেই  অনেক বড় বড় অপরাধের সাথে জড়িত এমন কি সাজাপ্রাপ্ত দাগি আসামি,  এদের অতিত বর্তমান জঘন্য বিতর্কিত ও ঘৃণ্য কাজে পরিপূর্ণ।  এরাই তোমাকে ছোট করতে নানান অপকৌশল অবলম্বন করবে,  তুমি তাদের নোংরা কথার উত্তর দিতে গিয়ে নিজের সময় নষ্ট করিও না।  তোমার কর্ম দক্ষতা, যোগ্যতা, ও সততা তাদের অন্তরে জ্বালা ধরে,  এই প্রতিহিংসার জ্বালা মিটিয়ে নিতে তারা তোমার আর্থিক, সামাজিক, শারিরীক ক্ষতি করার চেষ্টা করবে।  মনে রেখো মহান আল্লাহ পাক তোমাকে সর্বক্ষণ দেখছেন,  তোমার ভালো ও মন্দ কাজের হিসাব রাখছে,  তুমি যদি তোমার সৃষ্টিকর্তা কাছে আত্মসমর্পণ করে থাক- তাকে ভয় করে জীবনযাপন কর আর যদি মহান আল্লাহকে তোমার একমাত্র অভিভাবক মানো!  তবে তোমার কোনো ভয় নেই চিন্তাও ...

হালাল চাঁদাবাজ

 হালাল চাঁদাবাজ লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান _____------____ স্বৈরাচার হাসিনার সুবিধাভোগীরা এখন দেখি মহা বিপ্লবী,  বাসস্ট্যান্ড টেম্পুস্ট্যন্ড হাট বাজারে  করছে হালাল চাঁদা দাবী। আওয়ামী লীগের মত তারাও দেখি মাখছে মুক্তিযুদ্ধের মলম, দেশ বিদেশী নানান রকম অস্ত্র এখন তাদের হাতের কলম। এই চাঁদাবাজদের নেতার নাম মুখে নিতে করতে হবে অযু, গলা ফাটিয়ে জনগণকে ভয় দেখাচ্ছে তারাই এখন জুজু? তাদের নেত্রীর চেহারা দেখলে নাকি পবিত্র কাবা দেখা হয়!  হালাল চাঁদাবাজ নেতার ঘর দেখলেই  মক্কা মদিনা মনে হয়!  এই তো সেদিন এক নেতা বললেন করতে হবে তাকে সেজদা,  তা না হলে দলে ঠাই পাবে না কেউ  পাবে না পদপদবী মর্জদা।  হালাল চাঁদাবাজদের নেতা প্রশ্ন করে  ঐ দলের অর্থের উৎস কি? যারা এতোবড় জাতিয় সমাবেশ করে ভরিয়ে দিল সোহরাওয়ার্দী?  কানায় কানায় ভরে গেছে দেখলাম  সোহরাওয়ার্দী উদ্যান,  লাখো লাখো জনতা চাইছে দেখো  আল কোরানের বিধান । ------:------ কুয়েত থেকে  ২০ /০৭ /২০২৫   

প্রস্তর যুগে

 প্রস্তর যুগে  লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  -----:------ বিশ্বজিৎ হত্যার নির্মম দৃশ্য দেখে কেঁদে ছিলো সবার মন, আবরার ফাহাদ বিশ্ববিদ্যালয়েই হারিয়েছিল যে জীবন। আবু সাঈ'দ মুগ্ধরা জীবন দিলো  স্বৈরাচার তাড়াতে সেদিন,  সেই জুলাই বিপ্লবের সিংহাসনে  চাঁদাবাজ হয়েছে আশিন!  লগি বৈঠা হাতুড়ি যুগ শেষ করে  প্রস্তর যুগে করেছি প্রবেশ,  মানুষের হাতে মানুষ মারার দৃশ্য  কখনো কভু কি হবেনা শেষ!  ব্যর্থ হল প্রথম,দ্বিতীয় স্বাধীনতা করতে হবে তৃতীয় স্বাধীন,  জানি থাকবে না বাংলার জনগন  কখনো স্বৈরাচারের অধিন।  আবু সাঈ'দ মুগ্ধরা জীবন দিলো  স্বৈরাচার তাড়াতে সেদিন,  সেই জুলাই বিপ্লবের সিংহাসনে  চাঁদাবাজ হয়েছে আশিন! -----:----- কুয়েত থেকে ১৩ /০৭/২০২৫