সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কবিতা : সীমান্তের দুষ্ট শকুন

 সীমান্তের দুষ্ট শকুন লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান ----:---- অনেক নির্মমতা দেখে এলাম বহু বছর ধরে বাংলাদেশে আমি, বাপ তার জামায়াত ছিল বলে দুধের শিশুও হয়েছিল আসামি। তিনবারের বৈধ প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়ার স্ত্রী— বয়োবৃদ্ধ বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি যে জুলুম করা হয়েছে, তা হার মানে সকল নিয়ম-নীতি। ধানের শীষে ভোট দিয়েছে বলে চার সন্তানের জননী গণধর্ষণের শিকার! টাকনু গিরায় উপর কাপড় পরলেই মেরে ফেলার ছিল যে রাষ্ট্রীয় অধিকার। আজান, খুতবা, জানাজা পড়াও ছিল হায়েনাদের হাতেই নিয়ন্ত্রিত, কী করে ভুলে যাই বলো শাপলা চত্বরের স্মৃতি— এখনো বুকে আলেম-ওলামা হত্যার নির্মম ক্ষত। কত নিরপরাধ জঙ্গি নাটকে প্রতিদিন হারিয়েছে তার প্রাণ, মায়ের পেটের দুধের শিশুও যে নির্মমতার হাত থেকে পায়নি পরিত্রাণ। স্বামীর কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে ইস্কুলেই স্ত্রীকে করেছে গণধর্ষণ, ডোবা-নালায় কত যে লাশ মিলতো, কত মা-বোন দিয়েছে অশ্রুবিসর্জন। আবু সাঈদ, মুগ্ধরা জীবন দিয়ে বাংলার আকাশে আনল যে আজাদি। সেই রক্তলাল আজাদিকে রক্ষা করতে জীবন দিয়ে গেল শহীদ শরিফ ওসমান হাদী। হে সীমান্তের দুষ্ট শকুনের দল, মানবতা শিখাতে এসো না আমাদ...

জিতবে দাঁড়িপাল্লা

 শিরোনাম: দেশ গড়ার ডাক ও আগামীর প্রত্যাশা 🇧🇩 ​প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও মনটা পড়ে থাকে প্রিয় মাতৃভূমিতে। ৫৪ বছরের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ সাধারণ মানুষ এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখছে। যেখানে দুর্নীতি থাকবে না, থাকবে সৎ ও যোগ্য মানুষের শাসন। আবু সাঈদ, মুগ্ধদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আমাদের সবার সচেতনতা প্রয়োজন। ​সেই লক্ষ্যেই আমার ছোট একটি কাব্যিক প্রয়াস— "জিতবে দাঁড়িপাল্লা"। ​জিতবে দাঁড়িপাল্লা ​লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান (কুয়েত প্রবাসী) ​জাগছে দেশের চাষা-ভূষা জাগছে মাঝি মাল্লা, সৎ লোকের শাসন আসবে জিতবে দাঁড়িপাল্লা। ​পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীরাও দিচ্ছে এবার ভোট, পছন্দ তাদের দাঁড়িপাল্লা - দশ দলীয় জোট। ​চুয়ান্ন বছর চোর বাটপার ছিলো দেশের ক্ষমতায়, এবার সৎ লোকের শাসন আসবে বলছে জনতায়। ​দূর্নীতি আর চাদাঁবাজ মুক্ত হবে যে দেশের জনপথ, যোগ্যদের হাতে দেশ থাকবে জনগণ নিয়েছে শপথ। ​আবু সাঈদ, মুগ্ধ, হাদী দিয়ে গেছে যেই আজাদী সেই আজাদী রক্ষা করতে সাহায্য করো দয়াল আল্লাহ। ​জাগছে দেশের চাষা-ভূষা জাগছে মাঝি মাল্লা, সৎ লোকের শাসন আসবে জিতবে দাঁড়িপাল্লা। ----:---- ​কবিতার মর...

শিরোনাম: আইনের শাসন নাকি প্রভাবশালীদের জন্য বিশেষ ছাড়?

 শিরোনাম: আইনের শাসন নাকি প্রভাবশালীদের জন্য বিশেষ ছাড়? ​"টাকাটা দিয়ে দিয়েন"—এই শর্তে যখন ১৭০০ কোটি টাকার ঋণখেলাপির মনোনয়ন বৈধ হয়, তখন সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগাটা কি খুব অন্যায়? ​সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার মো. সানাউল্লাহ সাহেব বলেছেন, "মনে কষ্ট নিয়ে ঋণখেলাপিদের ছাড় দিয়েছি।" প্রশ্ন হলো—রাষ্ট্রীয় আইন কি মনের কষ্ট বা আবেগের ওপর চলে, নাকি অকাট্য প্রমাণের ওপর? যেখানে সামান্য কয়েক হাজার টাকার কৃষি ঋণের জন্য সোনাগাজী বা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকের কোমরে দড়ি পড়ে, সেখানে ১৭০০ কোটি টাকা খেলাপি হওয়ার পর "টাকা দিয়ে দেব" এমন মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে মনোনয়ন পাওয়াটা আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থার জন্য এক বড় পরিহাস। ​সাথে যুক্ত হয়েছে 'দ্বৈত নাগরিকত্ব' বিতর্ক: আইন অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকত্ব বহাল রেখে বাংলাদেশের নির্বাচনে অংশ নেওয়া অবৈধ। কিন্তু আমরা দেখছি, অনেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে এই তথ্য গোপন করার বা দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও বিশেষ আনুকূল্য পাওয়ার অভিযোগ উঠছে। একদিকে হাজার কোটি টাকার ব্যাংক ঋণ লোপাট, অন্যদিকে বিদেশের মাটিতে সেকেন্ড হোম—এই দ্বৈত চরিত্রের মানুষগুলো য...

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী

আজ ১৯শে জানুয়ারি, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলীর বাগবাড়ীতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। ​বাংলাদেশের ইতিহাসের এক সংকটময় সন্ধিক্ষণে জিয়াউর রহমান ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তার কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন আজও বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে অম্লান। ​আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার: শহীদ জিয়াউর রহমান ​১. স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানী ​জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে তিনি দিশেহারা জাতিকে যুদ্ধের প্রেরণা জুগিয়েছিলেন। যুদ্ধের ময়দানে 'জেড ফোর্স'-এর অধিনায়ক হিসেবে তার বীরত্বগাথা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্র তাকে 'বীর উত্তম' উপাধিতে ভূষিত করে। ​২. বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনরুত্থান ​১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন। তিনি তৎকালীন...

নির্বাচন কমিশনে হট্টগোল

 #নির্বাচন_কমিশনে_হট্টগোল: আব্দুল আউয়াল মিন্টু ও হাসনাত আব্দুল্লাহর বাকবিতণ্ডায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি ​নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল শুনানি চলাকালে এক নজিরবিহীন উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে শুনানির এক পর্যায়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনের প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু এবং এনসিপির কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। ​ঘটনার সূত্রপাত ​শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন ভবনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী আফরোজা খানমের মনোনয়নপত্র বৈধতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি চলছিল। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা শেষে কমিশন শুনানি আধা ঘণ্টার জন্য মুলতবি করলে কক্ষ ত্যাগের সময় আইনজীবীদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত আব্দুল আউয়াল মিন্টু বিরোধী পক্ষের উদ্দেশ্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ​অডিটোরিয়ামে অন্য শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ এই আচরণের প্রতিবাদ জানালে দুজনের মধ্যে সরাসরি বাকযুদ্ধ শুরু হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আব্দুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল তাকে কক্ষ থেকে সরিয়ে নিয়ে...

ইসলামি ঐক্যের ডাক

​ইসলামী ঐক্যের ডাক ​(স্থায়ী) চরমুনাইয়ের চরম ভুলে ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট, ওহে আলেম সমাজ কেন দ্বিধান্বিত আজ কেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে করছনা ভোট! চরমুনাইয়ের চরম ভুলে ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট ​(১ম অন্তরা) দলে দলে শত ভাগ হয়ে আছো স্বার্থের টানে দূরে সরে গেছ, ব্যক্তিগত জেদ আর আমিত্বের লড়াইয়ে আজ ইসলামের ঝাণ্ডা কেন মলিন হতে দিচ্ছ? সময় থাকতে জাগো ওহে রাহবার খুলে দাও হৃদয়ের বন্ধ কবাট। চরমুনাইয়ের চরম ভুলে ভাঙ্গনের মুখে ইসলামী জোট, ​(২য় অন্তরা) বাতিলেরা আজ এক মঞ্চে হাসে তোমাদের বিভেদ দেখে তারা উল্লাসে ভাসে, মসজিদ-মাদ্রাসা সব যদি হয় বিপন্ন কে দাঁড়াবে তখন দ্বীনের তরে পাশে? এক কাতারে দাঁড়াও আজ ইমানি বলে মুছে দাও সব সংশয়ের এই জট। ​(৩য় অন্তরা) রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি রাজপথে শহীদেরা আজো চেয়ে আছে এই পথে, বিভেদের বিষবাষ্প দুরে ঠেলে দিয়ে চলো মিলি সবাই এক নেতারই সাথে। যদি চাও খোদার রহমত আর বিজয় তবে চুরমার করো অহংকারের সব ঘট। (৪র্থ অন্তরা) আদর্শের নামে কেন এত দলাদলি ভুলে গেলে কি নবীর সেই মূল বুলি? তুচ্ছ বিষয়ে আজ বিভেদ বাড়িয়ে দুশমনকে দিচ্ছ সুযোগ তুলি। এক নবীর উম্মত হয়ে কেন তবে হৃদয়ে পুষে রাখা হিংষার এই তট? ​(৫ম ...

আজাদী ও আত্মত্যাগের গান লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান

 আজাদী ও আত্মত্যাগের গান লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  ​স্থায়ী: আজাদীর তরে হাদীরা যখন বিলিয়ে দেয় প্রাণ, চুপ করে বসে থাকা নিজেকে নিরপেক্ষ রাখা আমার পক্ষে বড্ড বেমানান বড্ড বেমানান বড্ড বেশি বেমানান আজাদীর তরে হাদীরা যখন বিলিয়ে দেয় প্রাণ। ​অন্তরা ১: রক্তে যখন লাল হয়ে যায় সবুজ ঘাসের গালিচা, কেমন করে ভুলবো তবে শহীদী খুনের বাগিচা? আকাশে যখন বারুদ ওড়ে বাতাসে লাশের ঘ্রাণ, জালিমের ভিত নাড়িয়ে ছিলো সে স্থির দাড়িয়ে মৃত্যুর ভয় ভুলে হাদী  করেছিলো বুক টান তবু চুপ করে বসে থাকা নিজেকে নিরপেক্ষ রাখা আমার পক্ষে বড্ড বেমানান বড্ড বেমানান বড্ড বেশি বেমানান আজাদীর তরে হাদীরা যখন বিলিয়ে দেয় প্রাণ। ​অন্তরা ২: শিকল ভাঙার গান গেয়ে যারা হাসিমুখে বরণ করে ফাঁসি, তাদের স্মৃতি মুছে ফেলে যদি ঠোঁটে ফোটে মিথ্যে হাসি— সে হাসি তো নয় জয়ের চিহ্ন সে তো এক গভীর অপমান, এমন বীর বিসর্জনে  যদি বিদ্রোহ না জাগে মনে তার বেঁচে থাকাটা  শিয়াল কুকুরের সমান  বড্ড বেমানান  বড্ড বেশি বেমানান  ​সঞ্চারী: ঘরকোণা সেই ভীরু কোলাহল মুছে যাক আজ সব দ্বিধা, হকের লড়াইয়ে সামিল না হওয়া নিজের কাছেই এক বড় বাধা। আম...

আবারো আইলোরে নির্বাচন

আবার আইলোরে নির্বাচন  লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  ---:--- সতেরো বছর দশ টাকা সের চাউল খাইছে জনগ, ঘরে ঘরে কতো চাকরি দিছে মহান হযরতে তখন।। এবার নেতায় ভোটের আগে পাঠাইছে ফ্যামিলি কার্ড...  তুলবো টাকা আজীবন।।  আবার আইলো-রে নির্বাচন আবার আইলো-রে নির্বাচন আঠারো কোটি জনতার জন্য পঞ্চাশ কোটি কার্ড রেডি, প্রতিমাসেই বিশ হাজার তুলবা হুনছনি দেশের বেড়া বেড়ি!॥  শুধু একখ্যান দাবী নেতার মনে রাখবে মার্কাটা তার...  ব্যালটে সিল মারো যখন।। সতেরো বছর দশ টাকা সের চাউল খাইছে জনগ, ঘরে ঘরে কত চাকরি দিছে মহান হযরতে তখন।। তাইতো নেতায় ভোটের আগে পাঠাইছে ফ্যামিলি কার্ড...  তুলবো টাকা আজীবন।। আবার আইলো-রে নির্বাচন আবার আইলো-রে নির্বাচন  নেতার দলে চোর বাটপার থাকুক যতোই চাদাঁবাজ, ওসব নিয়ে মুখ খুলবে না ওসব দেখা নেতার কাজ।। ত্যাগীরা শুধু ত্যাগ করবে আনুগত্যের প্রমাণ দিবে...  চাইবে না নোমিনেশন ॥ সতেরো বছর দশ টাকা সের চাউল খাইছে জনগ, ঘরে ঘরে কত চাকরি দিছে মহান হযরতে তখন।। এবার নেতায় ভোটের আগে পাঠাইছে ফ্যামিলি কার্ড...  তুলবো টাকা আজীবন।। আবার আইলো-রে নির্বাচন আবার আইলো-রে নির্ব...

​অদম্য মস্তক:

 ​অদম্য মস্তক:  একটি বিপ্লবী পরম্পরা ​শহীদ মালেকের সেই রক্তিম পথ বেয়ে আবরার ফাহাদের নিথর দেহের ভাঁজে, বিপ্লব জেগে রয় অবিরাম গান গেয়ে- অন্যায়ের বিঁধ হয়ে শোষকের সাম্রাজ্যে। ​আবু সাঈদ যখন দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়ালো যমের সামনে- বুক পেতে নির্ভয়ে, মুগ্ধর ‘পানি লাগবে’ ধ্বনি আজও ঘরে ঘরে প্রতিধ্বনি তোলে এক নতুন ভোরের জয়ে। ​ইয়াসিন, ইয়ামিন— কত শত নাম না জানা মাটি ভিজে গেলো তাজা রক্ত আর ঘামে, মুক্তির মিছিলে কোনো নিষেধ চললো না মানা ইতিহাস লেখা হলো শহীদী বীরের নামে। ​আর সেই পথ ধরে আমাদের হালের রত্ন— শরীফ ওসমান হাদী, বিপ্লবের ধ্রুবতারা, বুলেট বিঁধেছে শিরে, তবুও রাখলো যে শিরদাঁড়া  বাংলার আকাশ আজ তার গৌরবে আত্মহারা। ​ঘাতক ভেবেছে বুঝি মগজ চুরমার হলে থেমে যাবে এক লহমায় দ্রোহের এই চিৎকার, অথচ দেখুক চেয়ে— আজ লক্ষ হাদী চলে উন্নত মম শির, নেই কোনো পরাজয় আর। ​রক্তে ভেজা এ মাটি, বিপ্লবে কেনা এ দেশ শহীদের মিছিলে ওই যে জ্বলছে আলোকচ্ছটা, মস্তক যাবে তবু লড়াই হবে না শেষ যতক্ষণ না ভাঙে শোষকের ওই অহমিকার জটা। লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান কুয়েত থেকে ২৯ /১২ /২০২৫

ডাকসু রাকসু চকসুর পর জাকসুতেও ছাত্র শিবিরের জয় জয়কার,

 ডাকসু রাকসু চকসুর পর জাকসুতেও ছাত্র শিবিরের জয় জয়কার, সময় থাকতে হুঁশে ফিরো ওদের বলছো যারা গুপ্ত, রাজাকার। ✍️ মোহাম্মদ মিজান মোহাম্মদ মিজানের পংক্তিগুলো বর্তমান ছাত্ররাজনীতির এক পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটকে ফুটিয়ে তুলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ডাকসু) বা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাকুস) মতো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও (জাকসু) যখন ছাত্র শিবিরের সরব উপস্থিতি বা প্রভাবের কথা আলোচনায় আসে, তখন তা অনেক পুরোনো রাজনৈতিক সমীকরণকে চ্যালেঞ্জ করে। ​শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর আদর্শ ও ত্যাগের আলোকে আগামীর ছাত্রসমাজের পথচলা কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ নিচে তুলে ধরছি: 👉​আদর্শিক রাজনীতি ও আগামীর ছাত্রসমাজ: শহীদ হাদীর প্রেরণা ​বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাসে প্রতিটি বাঁকবদলে এক একটি আদর্শিক লড়াই নিহিত থাকে। কবি মোহাম্মদ মিজানের ছন্দে যে 'হুঁশে ফেরার' আহ্বান জানানো হয়েছে, তা মূলত ছাত্ররাজনীতিতে সস্তা ট্যাগিং বা অন্ধ বিরোধিতার চেয়ে বরং সুস্থ ও অর্থবহ চর্চার প্রয়োজনীয়তাকেই ইঙ্গিত করে। আজ যখন বিভিন্ন ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্র শিবিরের মতো সংগঠনের সরব পদচারণা নতুন করে আলোচনায় আসছে, তখন আগামীর ছাত...

নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার

 নারায়ে তাকবীর  আল্লাহু আকবার  স্লোগান দেয়ায় শান্তার হাত থেকে মাইক কেড়ে নিয়ে সেদিন যে অপমান করেছিলো ছাত্রদলের ছেলেরা, আজ নিরঙ্কুশ বিজয় দিয়ে ছাতদলের গালে কষে থাপ্পড় মারল শান্তা। শান্তার এই বিজয় সামাজিক ও ধর্মীয় উভয় দিক থেকেই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় বিশ্বাস বা স্লোগানকে কেন্দ্র করে তাকে অপমান করা এবং পরবর্তীতে সেই ব্যক্তির চারিত্রিক ও কর্মগুণে জয়ী হওয়ার বিষয়টি কয়েকটি মূলনীতি দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়: ​১. অপমানের বিপরীতে আল্লাহর সম্মান ​ইসলাম শেখায় যে, সম্মান ও অপমানের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালা। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে: قُلِ ٱللَّهُمَّ مَـٰلِكَ ٱلْمُلْكِ تُؤْتِى ٱلْمُلْكَ مَن تَشَآءُ وَتَنزِعُ ٱلْمُلْكَ مِمَّن تَشَآءُ وَتُعِزُّ مَن تَشَآءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَآءُ ۖ بِيَدِكَ ٱلْخَيْرُ ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَىْءٍۢ قَدِيرٌۭ ٢٦ ​"বলুন, হে আল্লাহ! আপনিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী... আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন আর যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন।" (সূরা আল-ইমরান: ২৬) ​শান্তাকে যদি তার ধর্মীয় স্লোগানের কারণে অপমানিত হতে হয়ে থাকে, তবে আজকের এই নি...

কবিতা: মুখোশ

 মুখোশ লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  ​অতিভক্তি চোরের লক্ষণ, হুজুর সাজে দুষ্ট ব্রাহ্মণ; সদা করে হারাম ভক্ষণ; যজ্ঞোপবীত পরে সারাক্ষণ । নেড়া মাথা লাল সালু পরিষ্কার রাখে হাতের তালু ,  কর্মহীন তাহার ধর্ম নীতি লোক দেখানো মানব প্রীতি।  ​মুখে বলে ধর্মের বাণী, অন্তরে তার শঠতা জানি; মিথ্যাকে দেয় সত্যের পালক, সে যে এক ঘোর প্রবঞ্চক। ​কথায় কথায় নেতার নাম, লুটে নেয় সে পরের ঘাম; মানুষ ঠকানোই তার নেশা, বেশ জমেছে ধর্মকে ব্যবসা। ​বাহিরে সাধু, ভেতরে কাল, বিছিয়ে রাখে ধোঁকার জাল; সতর্ক থেকো জনসাধারণ , চিনতে শেখো আসল রতন। :::::::-:::::::-::::::-::::::: কুয়েত থেকে -০৭/০১/২০২৬ -

​একটি শিক্ষিত স্বপ্নের অপমৃত্যু

 শিক্ষা আর ভদ্রতা যখন বখাটেপনার কাছে হেরে যায়, তখন জন্ম নেয় এমন এক বিষাদসিন্ধু। সোনাগাজীর এক শিক্ষিত মেয়ের জীবনের করুণ আর্তনাদ, যা আজ আমাদের বিবেককে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। প্রবাসে বসে এই খবরটি পাওয়ার পর কলম না ধরে পারলাম না..." ​একটি শিক্ষিত স্বপ্নের অপমৃত্যু: আমরা কি তবে এভাবেই হারবো? ​কলমে: মোহাম্মদ মিজান (কুয়েত থেকে) ​একটা সাজানো জীবনের ধ্বংসাবশেষ দেখতে কি খুব বেশি সময় লাগে? না, লাগে না। মাঝে মাঝে একটা ভুল সিদ্ধান্ত আর একটা পশুর মতো মানুষের সংস্পর্শ আস্ত একটা পরিবারকে জীবন্ত কবর দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। ​মেয়েটি মাস্টার্স পাস। মার্জিত, শিক্ষিত এবং অসম্ভব ধৈর্যশীল। এলাকার মানুষ জানতো মেয়েটি তাদের মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের গর্ব। কিন্তু সেই গর্বের নীল পদ্মটি আজ সমাজ আর সংসারের আস্তাকুঁড়ে পড়ে কাঁদছে। দোষ ছিল একটাই—সে ভালোবেসে এক বখাটেকে "মানুষ" করতে চেয়েছিল। ​নিঃস্ব হওয়ার গল্প: মেয়ের সুখের কথা ভেবে বৃদ্ধা মা আর মেয়ে মিলে জীবনের সবটুকু সঞ্চয় বিলিয়ে দিলেন। নিজেদের শরীরের সমস্ত সোনার গয়না বিক্রি করে সেই টাকা তুলে দিলেন স্বামীর হাতে—যেন সে বিদেশ গিয়ে অন্তত একটা আলোর মুখ দেখে। কিন্ত...

যেতে হবে এটাই সত্য

 যেতে হবে এটাই সত্য লেখক :- মোহাম্মদ মিজান  --------- আজকে খালেদা জিয়া গেছেন  কালকে হয়তো আমি, কার যে কখন ডাক আসবে  জানে শুধু অন্তরজামী। যেতেই হবে এটাই চির সত্য  অস্বীকারের সাধ্য নাই, এই দুনিয়াটা দুদিনের জন্য নয়তো কেহ চিরস্থায়ী।  স্বপ্ন সাধের ঐ স্বর্ণকমলের হারাবো যে মালিকানা, চেনা'পথ গুলো অচেনা হবে  থাকবে না আনাগোনা। শূণ্য হাতে ফিরে যাব আমি ছিড়ে যে মায়ার বন্ধন, প্রিয় মুখ গুলো মলিন হবে  অনেকে করবে কন্ধন। ধর্ম মতে করা কর্ম গুলোই  সঙ্গী হবে যে সেদিন,  আমার মতে চলবে না কিছু  হবো যে পরের অধিন।   তাই যাবার জন্য তৈরি থাকা বড্ড বেশি প্রয়োজন, বন্ধ করে এই রঙের মেলার  রঙিন সব আয়োজন।  ---------:---------- কুয়েত থেকে  সময় - সকাল  8:40 am বিএনপি চেযারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ সকাল ৬টায় ফজরের ঠিক পরে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। আমরা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তাঁর বিদেহী আত্মার জন্য দোয়া চাচ্ছি।

কবিতা : মস্তক

 ​অদম্য মস্তক:  একটি বিপ্লবী পরম্পরা ​শহীদ মালেকের সেই রক্তিম পথ বেয়ে আবরার ফাহাদের নিথর দেহের ভাঁজে, বিপ্লব জেগে রয় অবিরাম গান গেয়ে-  অন্যায়ের বিঁধ হয়ে শোষকের সাম্রাজ্যে। ​আবু সাঈদ যখন দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়ালো যমের সামনে- বুক পেতে নির্ভয়ে, মুগ্ধর ‘পানি লাগবে’ ধ্বনি আজও ঘরে ঘরে প্রতিধ্বনি তোলে এক নতুন ভোরের জয়ে। ​ইয়াসিন, ইয়ামিন— কত শত নাম না জানা মাটি ভিজে গেলো তাজা রক্ত আর ঘামে, মুক্তির মিছিলে কোনো নিষেধ চললো না মানা ইতিহাস লেখা হলো শহীদী বীরের নামে। ​আর সেই পথ ধরে আমাদের হালের রত্ন— শরীফ ওসমান হাদী, বিপ্লবের ধ্রুবতারা, বুলেট বিঁধেছে শিরে, তবুও রাখলো যে শিরদাঁড়া  বাংলার আকাশ আজ তার গৌরবে আত্মহারা। ​ঘাতক ভেবেছে বুঝি মগজ চুরমার হলে থেমে যাবে এক লহমায় দ্রোহের এই চিৎকার, অথচ দেখুক চেয়ে— আজ লক্ষ হাদী চলে উন্নত মম শির, নেই কোনো পরাজয় আর। ​রক্তে ভেজা এ মাটি, বিপ্লবে কেনা এ দেশ শহীদের মিছিলে ওই যে জ্বলছে আলোকচ্ছটা, মস্তক যাবে তবু লড়াই হবে না শেষ যতক্ষণ না ভাঙে শোষকের ওই অহমিকার জটা। লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান কুয়েত থেকে ২৯ /১২ /২০২৫