সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমি বিএনপির সমালোচনা করি কারণ আমি বিএনপিকে পছন্দ করি:

 আমি বিএনপির সমালোচনা করি কারণ আমি বিএনপিকে পছন্দ করি:  খুবই কৌতূহলোদ্দীপক একটি ভাবনা তাই না! প্রিয় পাঠক আপনি হয়তো মনে মনে বলছেন যে আপনি বিএনপিকে (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) পছন্দ করেন, অথচ আপনি দলটির সমালোচনা করেন!  এটি রাজনীতি বোঝার ক্ষেত্রে একটি পরিণত এবং জরুরি দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়। ​এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে একটি কলাম নিচে দেওয়া হলো: ​ভালোবাসার অধিকার: প্রিয় দলের গঠনমূলক সমালোচনা কেন জরুরি ​রাজনীতিতে 'পছন্দ' বা 'সমর্থন' শব্দটি প্রায়শই অন্ধ আনুগত্যের সমার্থক হয়ে ওঠে। আমরা যখন কোনো দলকে 'ভালোবাসি', তখন তার ভুলত্রুটিগুলো চোখে দেখতে চাই না বা দেখলেও তা অস্বীকার করি। কিন্তু রাজনীতিতে প্রকৃত ভালোবাসা হলো গঠনমূলক সমালোচনার সাহস রাখা। সম্প্রতি আমার এক বন্ধু তেমনই এক সাহসী অবস্থান নিয়েছেন: তিনি বিএনপিকে পছন্দ করেন বলেই দলটির কঠোর সমালোচক। এই আপাত-বিরোধী অবস্থানটিই আসলে গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। ​সমর্থন যখন সজাগ প্রহরী ​বিএনপি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এর বিশাল জনভিত্তি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে এর আদর্শিক অবস্থান এ...

মসজিদে বসে রাজনৈতিক আলোচনা বা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে কথা বলা যাবে কি?

 মসজিদে বসে রাজনৈতিক আলোচনা বা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে কথা বলা যাবে কি?  ইদানিং আমাদের দেশের একটা দল বা গুষ্টি মসজিদের ভিতরে আলোচনা করা নিয়ে খুব ধার্মিকতা দেখাচ্ছে,  অথচ রাসূল (সাঃ)-এর যুগে এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের উত্তম যুগে মসজিদে বসেই রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আঞ্জাম দেওয়া হতো। ​মসজিদ, বিশেষ করে মসজিদে নববী, সেসময় শুধু নামাযের স্থান ছিল না। এটি ছিল মদিনা রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রাণকেন্দ্র। ​মসজিদে নববীর বহুমুখী ভূমিকা ​রাসূল (সাঃ)-এর সময় এবং পরবর্তী খুলাফায়ে রাশেদীনের যুগে মসজিদ প্রধানত নিম্নলিখিত কাজগুলোর কেন্দ্র ছিল: ​রাষ্ট্রীয় কার্যনির্বাহী কেন্দ্র: খলিফারা মসজিদে বসেই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ সভা (শুরা) করতেন। এটি এক প্রকার কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মতো কাজ করত। ​বিচার বিভাগীয় কেন্দ্র: মসজিদ ছিল ন্যায়বিচার ও সালিশের প্রধান স্থান। খলিফা বা নিয়োজিত বিচারকগণ এখানেই জনগণের অভিযোগ শুনতেন এবং বিচারকার্য সম্পন্ন করতেন। শিক্ষাকেন্দ্র: নতুন মুসলিমদের দ্বীন শিক্ষা দেওয়া, কুরআন ও হাদিসের দারস প্রদান এবং জ্ঞানের চর্চার ...

অন্য ধর্মের সাদৃশ্য (Syncretism বা ধর্মীয় মিশ্রণ) সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি নোট

 অন্য ধর্মের সাদৃশ্য (Syncretism বা ধর্মীয় মিশ্রণ) সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটি নোট : "অন্য ধর্মের সাদৃশ্য" বা ধর্মীয় বিশ্বাস ও আচারের মিশ্রণের (Syncretism) বিষয়ে ইসলামের প্রধান দৃষ্টিভঙ্গিটি হল: ​ধর্মীয় বিশ্বাসের সাদৃশ্য বা মিশ্রণ: ইসলাম কঠোরভাবে শিরক (আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে অংশীদার করা বা তুলনা করা) কে সবচেয়ে বড় গুনাহ (হারাম) হিসেবে দেখে। এই কারণে, অন্য ধর্মের মূল বিশ্বাস, আচার বা উৎসব যা ইসলামের মৌলিক নীতি, বিশেষ করে তাওহীদ (একত্ববাদ) এর পরিপন্থী—যেমন মূর্তিপূজা বা আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন—তাকে সমর্থন করা বা সেগুলোর সাথে নিজেদের বিশ্বাসকে মিশ্রিত করা ইসলামে নিষিদ্ধ (হারাম)। এর অর্থ হল, ইসলামের মূল ধর্মীয় বিশ্বাসে অন্য ধর্মের বিশ্বাসকে মিশ্রিত করাকে ইসলাম সমর্থন করে না। ​উদাহরণ: অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় ও তাতে অংশগ্রহণ করাকে কোনো কোনো আলেম নিষিদ্ধ বলে মনে করেন, কারণ এর মাধ্যমে তাদের বাতিল ধর্মবিশ্বাসকে সমর্থন করা হয় বলে মত দেওয়া হয়। ​মানুষ হিসেবে সম্মান ও মানবিক সম্পর্ক: অন্যদিকে, ইসলাম অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি মানবতা, সহানুভূতি,...

৫ আগস্টের পর বিএনপির নাম চাঁদাবাজ দখলবাজ কেন হলো :

 ৫ আগস্টের পরের বিএনপির অপর নাম চাঁদাবাজ দখলবাজ কেন হলো: বিএনপির দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির ও দখলবাজির মতো অভিযোগ একটি গুরুতর বিষয় এবং এই ধরনের কার্যকলাপ সম্পূর্ণভাবে আইন-বিরুদ্ধ ও নিন্দনীয়। ​রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে কেউ যদি এই ধরনের অপরাধমূলক কাজ করে, তা দলের আদর্শ, শৃঙ্খলা এবং দেশের আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখায়। এটি শুধু ঐ নেতার বা কর্মীর ব্যক্তিগত অপরাধ নয়, বরং এটি সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এবং জনগণের আস্থায় চিড় ধরায়। ​আমার মতে: ​আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা: চাঁদাবাজি বা যেকোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলে দল-মত নির্বিশেষে সকলের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে কোনো রকম শৈথিল্য বা পক্ষপাতিত্ব কাম্য নয়। ​দলীয় শৃঙ্খলা: রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে অবিলম্বে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়। ​রাজনৈতিক সদিচ্ছা: সকল রাজনৈতিক দলের উচিত তাদের নেতা-কর্মীদের সততা ও নৈতিকতার গুরুত্ব বোঝানো এবং জনগণের সেবার মানসিকতা তৈরি করা, যাতে তারা চাঁদাবাজি বা অন্য ক...

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো পরিবর্তন :-

 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লোগো পরিবর্তন :- হ্যাঁ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের দলীয় লোগো পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে। ​সম্প্রতি দলটির একটি বৈঠকে নতুন লোগোর একটি নকশা দেখা গেছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, লোগো পরিবর্তনের বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং বেশ কয়েকটি নকশা তৈরি করা হয়েছে। চূড়ান্ত লোগোটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে শীঘ্রই সেটি প্রকাশ করা হতে পারে। ​নতুন নকশায় আল্লাহু লেখা বাদ দিয়ে জাতীয় পতাকার আদলে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। ​ জামায়াতে ইসলামীর এই লোগো পরিবর্তনের ফলে দলের ভাবমূর্তিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে তা নির্ভর করছে কয়েকটি বিষয়ের উপর: ​ইতিবাচক দিক (ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হওয়ার সম্ভাবনা): ​আধুনিকতা ও পরিবর্তনের বার্তা: একটি নতুন লোগো আনলে জনগণ মনে করতে পারে যে দলটি সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চাইছে এবং পরিবর্তনের দিকে ঝুঁকছে। এটি পুরনো বিতর্কিত ভাবমূর্তি থেকে বেরিয়ে আসার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে গণ্য হতে পারে। ​নতুন প্রজন্মের আকর্ষণ: একটি আধুনিক, নান্দনিক ও পেশাদার লোগো ...

রক্তাক্ত পাহাড় (Roktakto Pahar)

​রক্তাক্ত পাহাড় (Roktakto Pahar) -----:----- ​শোনো, ওগো যাত্রী, শোনো সেই পাহাড়ের ক্রন্দন, যার বুকে লেখা আছে কোটি প্রাণের বন্ধন। সে মাটি কি শুধু মাটি? নাকি জমাট রক্ত, ঘাম? যুগে যুগে লড়ে গেছে সে যে, যার নেই কোনো নাম। ​শীর্ষে তার জমাট মেঘ, যেনো গভীর ক্ষত, নিচে তার পথ বেঁকে চলে, জীবনের মতো দ্রুত। সবুজ ঘাসের আড়ালে তার লুকানো ধারালো ফালা, প্রতিটি পাথরে লেগে আছে কোনো বীরের জ্বালা। ​সেখানে বাতাস নয়, বয় দীর্ঘশ্বাসের ঢেউ, সূর্য ডোবার সময় সেখানে রক্তিম হয় কেউ। পাখিরাও গান গায় , শোনে ইতিহাসের কথা, কত স্বপ্ন, কত বিদ্রোহ, কত চাপা ব্যথা। ​এই পাহাড় দাঁড়িয়ে সাক্ষী, দেখেছে কত উত্থান, রাজা-মহারাজা আসে-যায়, তবু সে যে মহান। তার কালো শরীর জুড়ে আঁকা সেই রক্তের দাগ, মুক্তির মন্ত্র সে যে জ্বালিয়ে দিয়েছে আগুন, রাগ। ​তাই আজও চূড়ায় উঠলে কাঁপে থরথর বুক, নিঃশব্দে প্রণাম জানাই, ফিরে পাই নতুন সুখ। এই পাহাড় শুধু ধুলো নয়, এ যে সহস্র স্মৃতি, আজ রক্তাক্ত পাহাড় তুমি নির্বিকার এই পৃথিবী! ✍️ মোহাম্মদ মিজান ২৮ /০৯ /২০২৫ কুয়েত থেকে  ​ 

তৃতীয় দৃষ্টি

 তৃতীয় দৃষ্টি  ----:---- খারাপ ছবি খারাপ ভিডিও খারাপ আমি জানি, গল্প কবিতায় খারাপ শব্দ খারাপ কজনে মানি? বেশ্যা শব্দ ভীষণ খারাপ বলবে সবাই নির্দ্বিধায়, সেই বেশ্যা পাড়ার মাটি দিয়ে দুর্গা মুর্তি তৈরী হয়। কাকে তুমি খারাপ বলবে খদ্দর নাকি পতিতা? তোমার চোখে খারাপ কে চিন্তা নাকি কল্পিতা?  লজ্জা তোমার কোথায় থাকে মনে নাকি চোখে?  কেন তোমার মনে কামনা জাগে শিশু খাদ্য দেখে?  প্রশ্ন করবে নিজেকে নিজে কি পরিবর্তন দরকার! চার এপাশের সমাজ ব্যবস্থা নাকি রাষ্ট্রের সরকার? --কুয়েত থেকে ১০ /০৫ /২০২৫ 

গল্প :- শিশু শ্রম

 শিশু শ্রমিক নিয়ে একটি গল্প লিখে দিতে পারি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর বিষয়। ​এখানে একটি মানবিক ও সংগ্রামের গল্প দেওয়া হলো: গল্প:- শিশু শ্রম ​ছোট্ট রতন: ফুটপাতের কারিগর ​রতন নামের দশ বছরের ছেলেটা প্রতিদিন সকালে ঢাকার ব্যস্ততম মোড়ের পাশে ছোট একটা চায়ের দোকানে কাজ শুরু করে। তার দিন শুরু হয় কাঁচের গ্লাস ধোয়ার শব্দে আর আধপোড়া বিস্কুটের গন্ধে। সূর্য ওঠার আগেই রতন ঘুম থেকে ওঠে। তার চোখে এখনো ঘুমের রেশ, কিন্তু পেটের ক্ষুধা আর দোকানের মালিকের কড়া চাহনি তাকে বিশ্রাম নিতে দেয় না। ​রতন মূলত গ্রামের ছেলে। এক বছর আগে বাবার অসুখ আর মায়ের অসহায়তার কারণে তাকে শহরে আসতে হয়—এক আত্মীয়ের হাত ধরে, যে তাকে এই চায়ের দোকানে কাজ জুটিয়ে দেয়। আত্মীয়টি বলেছিলো, "কাজ করবি, দুবেলা খেতে পাবি, আর কিছু টাকাও জমা হবে।" কিন্তু রতনের জীবনে বিশ্রাম আর পড়ার সময়টা যেন অচেনা এক স্বপ্ন। ​সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত তার একটাই কাজ—চা বানানো, গ্লাস পরিষ্কার করা আর টেবিল মোছা। গরম চায়ের কেটলি ধরতে ধরতে তার ছোট্ট হাতে ফোসকা পড়ে যায়, আর অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে তার পিঠে একটা চাপা ব্যথা ...

কবি নাকি গিরগিটি

 কবি নাকি গিরগিটি লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  --২৭ /০৯ /২০২৫ ইং আমিও তো দেখেছি গত সতের বছর এই গিরগিটিদের রূপ, এরা জুলুম অত্যাচার দুর্শাসন দেখেও ছিলো যে সদায় চুপ। করেনি প্রতিবাদ কোনো গল্প কবিতায় লেখেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে, সুবিধাভোগী আজ সুযোগ পেয়ে দেখি নেমেছে ক্ষমতার যুদ্ধে। এরা লেখক কবি কোন সাহিত্যিক নয়  এরা স্বৈরাচারের দোসর,  এরা বিবেক বুদ্ধি মনুষ্যত্ব হীন মনুষ্য ধরনিতলার ভূজঙ্গ বিষধর। শিল্প সাহিত্য সংস্কৃতির ঐতিহ্য রক্ষার্থে উন্মোচিত হোক মুখোশ,  জাতির বিবেক লেখক জুলুমের সাথে  কখনো করে না আপোষ।  জুলাই বিপ্লবের রক্তের উপর দাড়িয়ে মিরজাফর হবে প্রতিষ্ঠিত!  আমি মিজান বেচেঁ থাকতে এবাংলায়  সে স্বপ্ন পুরণ হবে না অন্তত।  -----:----- কুয়েত থেকে

রেমিট্যান্সের ওপারে

  ​গল্পের শিরোনাম: "রেমিট্যান্সের ওপারে" ​১. স্বপ্ন-ভাঙ্গা যাত্রা: ​ফজরের আজানের শব্দ তখনও মিলিয়ে যায়নি, যখন রহিম ভিটেমাটি আর প্রিয়জনদের ছেড়ে এয়ারপোর্টের পথে পা বাড়াল। চোখে তার ভবিষ্যতের স্বপ্ন—ছোট বোনের বিয়ে, মায়ের চিকিৎসা, আর ভিটার পাশে এক চিলতে পাকা বাড়ি। কিন্তু এই স্বপ্ন পূরণের চাবিকাঠি হলো মরুভূমির দেশে, যেখানে সূর্যের তেজ আর শ্রমিকের ঘামের গন্ধ মিশে একাকার। ​প্রথম যখন সে দুবাই (বা আপনার পছন্দের যেকোনো দেশ) পৌঁছাল, তখন চারপাশের ঝলমলে আলো আর আকাশ ছোঁয়া ইমারত দেখে তার বুক কেঁপে উঠল। এ যেন এক অন্য জগৎ। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সে বুঝতে পারল, এই চাকচিক্য তার জন্য নয়। তার জগৎ হলো লেবার ক্যাম্পের ছোট, স্যাঁতসেঁতে ঘরটি, যেখানে গাদাগাদি করে থাকতে হয় আরও দশজন শ্রমিকের সাথে। ​২. কঠিন জীবন, নীরব কান্না: ​রহিমের কাজ ছিল নির্মাণ সাইটে। সকাল ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা, কখনও বা তারও বেশি। প্রচণ্ড গরমে যখন পিচের রাস্তা গলে যায়, তখন তাকে ভারী সরঞ্জাম কাঁধে নিয়ে ছুটতে হয়। কাজের সময় একটাই কথা মাথায় ঘোরে—"দেশে টাকা পাঠাতে হবে।" ক্লান্তি বা অসুস্থতার জন্য ছুটি নেই বললে...

আঞ্চলিক গান

 আঞ্চলিক গান ✍️ মোহাম্মদ মিজান  👇 কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! পোলা মাইয়ায় নোয়াজ ন হই ছিত্তই হডিঁ ঘুঁনযার। কুরআন শরিফ ধরি চায় না  ধরি চায় না হাদিস,  হাত দিনেও গোছল করে না  অই গেছেগই খবিশ । গায়ের গন্ধে ঘরে বাইয়ে -  গায়ের গন্ধে ঘরে বাইয়ে  থাইকতাম হারিয়েন্না আর। কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! পোলা মাইয়ায় নোয়াজ ন হই ছিত্তই হডিঁ ঘুঁনযার। কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! রাইতে দিনে মোবাইল টিবে হড়া লেআ থুঁই, হরিক্ষার খাতায় হেল মাইচ্ছে হাইছে খালি দুই। হেসবুক টিকটক কিয়া কিয়া  চালায় হেগুনে,  কন ধোয়ার হুতে বানাইছে এগাইন জ্বলিয়ের আগুনে। কাম নঁকরি দামড়ার মতো কাম নঁকরি দামড়ার মতো হুতি হুতি খাঁআর॥ কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! পোলা মাইয়ায় নোয়াজ ন হই ছিত্তই হডিঁ ঘুঁনযার। কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! কন্ডে যাইতাম কারে কইতাম দুঃখের কতা আঁর! ::::----::::: কুয়েত থেকে  ২১ /০৯/২০২৫ 

কারো গোপন বিষয়ে তালাশ করা কি?

 কারো গোপন বিষয়ে তালাশ করা কি?  👇 গোপন বিষয় তালাশ করা" বা অন্যের গোপন দোষ খোঁজা ইসলাম ধর্মে নিষিদ্ধ এবং এটি «সূরা হুজুরাত, আয়াত: ১২»-এর মাধ্যমে নিষেধ করা হয়েছে, যেখানে আল্লাহ্‌ মুমিনদেরকে একে অপরের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করতে এবং অনুমান থেকে দূরে থাকতে বলেছেন। এর পরিবর্তে, একে অপরের প্রতি ভালো ধারণা পোষণ করা এবং দোষ গোপন রাখা উচিত। অন্যের গোপন দোষ অনুসন্ধানের পরিণতি হিসেবে আল্লাহ্‌ও সেই ব্যক্তিকে তার নিজের দোষের জন্য অপদস্থ করতে পারেন।  কেন নিষেধ করা হয়েছে? ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞা: ইসলামে এটি একটি নিষিদ্ধ কাজ, কারণ এটি «সূরা হুজুরাত, আয়াত: ১২»-এর সরাসরি লঙ্ঘন।  মানবিক নীতি: অন্যের গোপন বিষয় অনুসন্ধান করা তাদের সম্মান এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে, যা সামাজিক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর।  (bad intentions) ও মিথ্যা: অন্যের দোষ খোঁজার মধ্যে প্রায়শই মন্দ ধারণা ও মিথ্যা অপবাদ জড়িত থাকে।  পাপের বোঝা: এটি পাপের একটি বোঝা বহন করে।  বিকল্প করণীয়: ভালো ধারণা পোষণ করুন: মন্দ ধারণা থেকে দূরে থাকুন, কারণ মন্দ ধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।  দোষ গোপন রাখুন: কা...

কবি কাকে বলে!

 কবি কাকে বলে!  একজন কবি হলেন সেই ব্যক্তি যিনি কবিতা লেখেন। তিনি শব্দকে ব্যবহার করে মানুষের আবেগ, অনুভূতি, চিন্তা এবং অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করেন। একজন কবি শুধু শব্দের গাঁথুনি করেন না, বরং তার লেখার মাধ্যমে পাঠককে একটি ভিন্ন জগতে নিয়ে যান, যেখানে ভাবনা এবং সৌন্দর্য একাকার হয়ে যায়। ​কবিতা লেখার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের হৃদয়ে অনুরণন তৈরি করা এবং তাদের ভাবনাকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা। এটি হতে পারে প্রকৃতির বর্ণনা, প্রেম, বিরহ, সমাজের কোনো সমস্যা বা জীবনের গভীর কোনো দর্শন। ​প্রাচীনকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্কৃতিতে কবিদের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। যেমন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ, এরা বাংলা সাহিত্যের এক একজন দিকপাল। তাদের কবিতা আজও আমাদের প্রভাবিত করে। ✍️ মোহাম্মদ মিজান 

প্রতিবাদ ও প্রতিবাদী মানুষের জীবন

 প্রতিবাদ ও প্রতিবাদী মানুষের জীবন :- প্রতিবাদী মানুষের জীবন এক চ্যালেঞ্জিং, কিন্তু একই সঙ্গে অর্থপূর্ণ এবং সন্তুষ্টিতে ভরা। তাদের পথটা সহজ হয় না, কারণ তারা স্রোতের বিপরীতে হাঁটে। ​তাদের জীবনের কিছু দিক এখানে তুলে ধরা হলো: ​সংগ্রাম এবং ত্যাগ: প্রতিবাদী মানুষকে প্রায়শই সমাজের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকতে হয়। তাদের অনেক সময় ব্যক্তিগত আরাম, সামাজিক স্বীকৃতি, এবং এমনকি আর্থিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো ত্যাগ করতে হয়। তাদের প্রতিবাদ অনেক সময় ভুল বোঝা হয়, যার কারণে তারা একাকীত্বও অনুভব করতে পারেন। ​মানসিক চাপ এবং বিপদ: প্রতিবাদ করতে গিয়ে তারা অনেক সময় হুমকি, হয়রানি, বা আইনি জটিলতার শিকার হন। সরকারের বা শক্তিশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়ালে তাদের জীবন বিপন্ন হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। ​দৃঢ়তা এবং সাহস: এই সব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও, প্রতিবাদী মানুষেরা অসাধারণ দৃঢ়তা এবং সাহসের পরিচয় দেন। তারা তাদের আদর্শের প্রতি অবিচল থাকেন এবং সহজে হার মানেন না। তাদের এই মানসিক শক্তি তাদের পথ চলতে সাহায্য করে। ​ছোট ছোট জয় এবং সন্তুষ্টি: যদিও বড় পরিবর্তন সহজে আসে না, প্রতিবাদের মাধ্যমে ছোট ছোট সাফল্যও অনেক বড় অনুপ্রের...

এমন কবি শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক

 এমন কবি যখন শিল্পকলার পরিচালক:-  ​কবির জন্ম হয় না, বরং তার সৃষ্টি হয়। তিনি কেবল একজন মানুষ নন, বরং তিনি সময়ের কণ্ঠস্বর, সমাজের প্রতিচ্ছবি, এবং অনুভূতির রূপকার। তিনি শব্দের জাদুকর, যিনি জীবনের কঠিন সত্যগুলোকেও এক নিমেষে সুরেলা করে তোলেন। যখন আমরা একজন কবির কথা বলি, তখন আমাদের মনে আসে এক ভিন্ন জগৎ। সেই জগৎ ভালোবাসা, বেদনা, আশা, প্রতিবাদ এবং স্বপ্নের মিশেলে তৈরি। ​একজন কবি তার লেখায় জীবনের বিভিন্ন রঙ তুলে ধরেন। তাঁর কলমে যেমন বসন্তের নতুন পাতার গল্প থাকে, তেমনি থাকে ঝরা পাতার বিষণ্ণতা। তিনি মানব মনের গভীরতম অনুভূতিগুলোকে এমনভাবে প্রকাশ করেন, যা আমাদের নিজেদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কথাগুলোকেও যেন জাগিয়ে তোলে। একজন কবির কবিতা শুধু কিছু শব্দ নয়, বরং তা আমাদের হৃদয়ের প্রতিধ্বনি। মাজলুমের আর্তনাদ, জালিমের জম। ​তাই, একজন কবি শুধু লেখেন না, তিনি আমাদের শেখান কীভাবে জীবনকে আরও গভীরভাবে অনুভব করতে হয়। তাঁর প্রতিটি শব্দে লুকিয়ে থাকে এক নতুন অর্থ, যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে। তিনি এক পথপ্রদর্শক, যিনি আমাদের স্বপ্নের জগতে নিয়ে যেতে পারেন, আবার বাস্তবতার মুখোমুখিও দাঁড়াতে শেখান। একজন কবি চিরঞ্জীব...

প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস

  ​প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প ​নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। ​কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। ​টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। ​কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। ​দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...

গল্প :- সততা ২

 ছোট গল্প:- সততা :- ​রাজ্যের সেরা ভোজ ও দুই ধরনের প্রহরী ​অনেক কাল আগের কথা। এক রাজার ছিল এক চমৎকার ভোজনশালা, যেখানে রাজ্যের সেরা সব খাবার তৈরি হতো। এই ভোজনশালার দায়িত্বে ছিল এক বিশ্বস্ত ও সৎ প্রহরীর দল। তাদের প্রধানের নাম ছিল প্রদীপ। ​ভোজনশালার নিয়ম ছিল খুব কঠোর: খাবার শুধুমাত্র তারাই পাবে যারা সঠিক মূল্য দেবে এবং যাদের সত্যিই প্রয়োজন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে কিছু লোক, যারা রাজার ঘনিষ্ঠ ছিল বা ক্ষমতা রাখত, তারা প্রদীপের কাছে এসে আবদার করত— "ভাই প্রদীপ, এই খাবারগুলো একটু বেশি দাও না, দাম কম রাখো না, কালকের জন্য কিছু সরিয়ে রাখো না।" ​প্রদীপ ছিল তার কাজে দৃঢ়। সে হেসে বলত, "বন্ধুরা, রাজার আদেশ, নিয়ম সবার জন্য সমান। এই ভোজনশালা রাজ্যের সবার জন্য, ব্যক্তিগত সুবিধার জায়গা নয়।" ​প্রদীপের এই সততা কিছু মানুষকে ক্ষুব্ধ করত। তারা প্রদীপের ওপর অসন্তুষ্ট হতো, খারাপ ব্যবহার করত এবং তাকে ছোট করার চেষ্টা করত। ​একদিন প্রদীপ বুঝতে পারল, তার পক্ষে এই পরিবেশে কাজ চালিয়ে যাওয়া কঠিন। তার বিবেক তাকে সায় দিচ্ছিল না এমন একটি জায়গায় থাকতে, যেখানে প্রতিনিয়ত নিয়মের বরখেলাপ করার জন্...

গল্প 👉 সততা ১

 গত ছব্বিশ বছর ধরে আমি একটা অফিসে কর্মরত আছি, আমার সত্তা ও দক্ষতায় ভিআইপি সোয়েটার থেকে ভিআইপি ক্যানটিনের ইনচার্জ ছিলাম কিন্তু কোম্পানির ম্যানেজার সুপারভাইজার ও আশেপাশের মানুষদের অনৈতিক সুবিধা দিতে আমার বিবেক বাধা দিতে থাকে যদিও ঐ মানুষ গুলো আমার কাছে অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিতে চাইতো যে ভাবে আমার আগে থাকা ইনচার্জ দিয়েছিলো। আর আমি তা না দিলে ওরা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ নিতো তাই আমি ইনচার্জ এর দায়িত্ব পালন থেকে নিজেকে দূরে রাখি।  কোম্পানির সুপারভাইজার তার নিজের লোক বসিয়ে ইচ্ছে মতো অনৈতিক সুবিধা নিয়ে যাচ্ছে,  নিজেদের লোক দিয়ে মিটিং পেপার বানিয়ে ইচ্ছে মতো এমাউন্ট বসিয়ে  চা কপি বিস্কুট চকলেট পানি সহ  সব মালামাল নিয়ে যাচ্ছে যা দেখার কেউ নাই।  প্রতি মাসে বসের নামে যে টাকা সরকার থেকে আসে তা অফিসের একজন নিম্নমানের কর্মচারী মেরে খাচ্ছে বস তা জানেই না।  এই অফিসের এমন কিছু কর্মী ও কোম্পানির সুপারভাইজার ম্যানেজারের সাথে জড়িত আছে।  আমি এই বিষয়ে আমার বসকে একটা সুন্দর গল্পের মতো করে জানাতে চাই যেন কেউ বুজতে না পারে । তুমি কি আমাকে একটা গল্...

ভন্ড পীর

 ভন্ড পীর লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  ----গান - - - -  যেই ভন্ড নিজেকে দাবী করে সেই ইমাম মাহাদী, ক্বাবার আদলে কবর বানিয়ে করে শেরেকের আবাদি।।  কুরআন হাদীস রেখে উর্ধ্বে  সেই শেরেকের বিরুদ্ধে  ভন্ড পীরের লাশ পোড়ালে জনতা রুখে দাঁড়ালে কিছু কিছু গন্ড-মূর্খ  হয়ে উঠে প্রতিবাদী!  যেই ভন্ড নিজেকে দাবী করে সেই ইমাম মাহাদী, ক্বাবার আদলে কবর বানিয়ে করে শেরেকের আবাদি।।  মাজারে আজ হাজারে হাজারে বসে মদ জুয়া গাঁজার আসর,  এবাদতের নামে কবরে সেজদা করে কিছু ভন্ড পীরের দোসর।।  দিনের আলোয় রাতের আঁধারে  লিপ্ত হয় অবাধ যৌনচারে,  কতো বেপর্দা নারী পুরুষ   নেশা করে হারায় হুঁশ  মানে না শরিয়তের দাবী।  যেই ভন্ড নিজেকে দাবী করে সেই ইমাম মাহাদী, ক্বাবার আদলে কবর বানিয়ে করে শেরেকের আবাদি।।  কুরআন হাদীস রেখে উর্ধ্বে  সেই শেরেকের বিরুদ্ধে  ভন্ড পীরের লাশ পোড়ালে জনতা রুখে দাঁড়ালে কিছু কিছু গন্ড-মূর্খ  হয়ে উঠে প্রতিবাদী!  --((কুয়েত সিটি থেকে)) - -  ০৬ /০৯ /২০২৫