সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

যে বিপ্লবের দাবি নিয়ে এখন বিতর্ক একটি রাজনৈতিক স্ববিরোধিতার গল্প:

  যে বিপ্লবের দাবি নিয়ে এখন বিতর্ক একটি রাজনৈতিক স্ববিরোধিতার গল্প:-👇 ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ছাত্র-জনতার রক্তে লেখা সেই আন্দোলন শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। কিন্তু সেই বিপ্লবের "মালিকানা" নিয়ে এখন যে রাজনৈতিক খেলা চলছে, তা নতুন এক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। দুটি বিপরীত বক্তব্য, একই দল তখন যা বলা হয়েছিল:- আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছিলেন - এই আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। এটি ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। এখন যা দাবি করা হচ্ছে:- ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর একটি মহল থেকে বলা হচ্ছে - এই বিপ্লব আসলে বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়েছে। প্রশ্ন হলো - দুটো কথা একসঙ্গে সত্য হয় কীভাবে? কেন তখন দূরত্ব বজায় রাখা হয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তর বুঝতে হলে সেই সময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতায় ফিরে যেতে হবে। ১. আইনি ও রাজনৈতিক ঝুঁকি আন্দোলন তখনও অনিশ্চিত। সরকার যদি দমন করতে সফল হতো, তাহলে বিএনপির সরাসরি সম্পৃক্ততা দলের জন্য ভয...

আমার_মতো_সিন্ডিকেটের_কাছে_হেরে_গেল_একটি_স্বপ্ন

  #আমার_মতো_সিন্ডিকেটের_কাছে_হেরে_গেল_একটি_স্বপ্ন ৩০০ টাকায় পাঞ্জাবি বিক্রি করা কি অপরাধ? বাংলাদেশে মনে হচ্ছে সেটাই হয়ে দাঁড়িয়েছে। নবীন পাঞ্জাবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফেজ এনামুল হাসান নবীন, যিনি নবীন হাশেমি নামেও পরিচিত, সিন্ডিকেটের হুমকি ও চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত দেশ ছেড়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দর থেকে ফেসবুকে লেখা তাঁর সেই কথাগুলো অনেকের বুকে বিঁধে গেছে — "সিংহের মতো বাঁচতে চাই, কিন্তু সিন্ডিকেটের গুলিতে সন্তানদের এতিম করতে চাই না।" কে এই মানুষ, কী ছিল তাঁর স্বপ্ন? তিনি একজন প্রবাসী। করোনার সময় দেশে ফিরে ব্যবসা শুরু করেন। লক্ষ্য ছিল একটাই — ন্যায্য মূল্যে গ্রাহকের কাছে ভালো পণ্য পৌঁছে দেওয়া। তাঁর প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, হিজড়া সম্প্রদায় এবং মাদকাসক্তি থেকে ফিরে আসা মানুষেরা। সরবরাহকারীরাও কম দামে পণ্য দিতেন, ফলে মাত্র ৩০০ টাকায় পাঞ্জাবি ও পাজামা বিক্রি করা সম্ভব হতো। এটা শুধু ব্যবসা ছিল না। এটা ছিল একটা সামাজিক উদ্যোগ। তাহলে সমস্যা কোথায়? পাশের দোকান 'প্রিন্স'-এর মালিক মাইকেলসহ একটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পুলিশ নিয়ে তাদের দোকা...

কবিতা :- নকল মালিক

 নকল মালিক লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান :::::-::::: বদলে গেছে হায় বাড়ির নামটি নেইতো আগের নামে, এক জমানায় যে বাড়ির নামটি লিখা ছিল দামী খামে। বাড়ির দলিল খাজনা রসিদে যেই নামটি ছিল সদা,  সে নামটি লিখতে গেলে এখন অনেকেই দিচ্ছে বাধা।  জোর করে তারা দখল করলো মুরুছি বাড়ির ঘাড়া,  আসল মালিকের ঘরের সামনে  নকল মালিকের বেড়া।  খান সাহেব কি জেনে শুনেই করেছিল নকল দলিল! তা নাহলে কেন যে ছাড়লেন পশ্চিমের অংশ উকিল? টাকায় কেনা সাক্ষীর সাক্ষতে উত্তরে করেন দখল, বেলের ভাগ আর আমের ভাগ ছেড়ে দিয়েছে সকল। দলখোলার দখল ফুফুকে দিল সাথে দিলো পুকুর, দুষ্ট ঠেঙ্গা বুড়োর সহযোগিতায়  করেছে দুই কুকুর।  চার ভাইয়ের যতো সম্পদ ছিল দুই ভাইয়ে সব খায়,  হারিয়ে যাওয়া ভাইয়ের সম্পদ।  বিক্রি করে দু'জনায়।  শুদ্ধ হয়নি বেচা কেনা কারোই জেনে রাখো কানখুলে,  যেদিন চিরন্তন সত্য প্রকাশ হবে ফেলেব মিথ্যার দেয়াল তুলে।  যতোই রাখো লম্বা দাড়ি আজ সাজো যতোই ঈমানদার,  হারাম সম্পদের মালিক তোমরা রোজআশরে হবে বিচার।  ___---কুয়েত থেকে ---____ ২৭শে জুন ২০২৪

ট্রাম্পের পরবর্তী চাল

  ট্রাম্পের পরবর্তী চাল: মিয়ানমার, বাংলাদেশ এবং একটি নতুন ভূরাজনৈতিক দাবার বোর্ড বিশ্বরাজনীতি এখন এক জটিল সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা শুধু একটি আঞ্চলিক সংঘাত নয় — এটি আসলে বৃহত্তর এক বৈশ্বিক কৌশলের অংশ। ট্রাম্প প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ করলে একটি ছক স্পষ্ট হয়ে ওঠে: ইরান যুদ্ধের পর্দা নামলে পরবর্তী মঞ্চ হতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। আর সেই মঞ্চের কেন্দ্রে থাকতে পারে মিয়ানমার। এই সমীকরণে বাংলাদেশের অবস্থান অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মিয়ানমার কেন গুরুত্বপূর্ণ? মিয়ানমার ভৌগোলিকভাবে ভারত, চীন ও বঙ্গোপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত। চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডোর এই দেশের ভেতর দিয়ে গেছে। কিয়াউকপিউ বন্দর থেকে শুরু করে ইউনান পর্যন্ত চীনের বিনিয়োগ এবং কৌশলগত উপস্থিতি বিশাল। সহজ কথায়, মিয়ানমার চীনের ভারত মহাসাগরে প্রবেশের একটি প্রধান দরজা। ট্রাম্পের কৌশল যদি হয় চীনকে তার নিজের উঠানে চাপে ফেলা, তাহলে মিয়ানমার সেই কৌশলের আদর্শ রণক্ষেত্র। একটি অস্থির মিয়ানমার চীনের বিনিয়োগ, সরবরাহ পথ এবং সামরি...

যখন সচেতন মানুষ নীরব থাকে (একটি সামাজিক বিশ্লেষণ)

 যখন সচেতন মানুষ নীরব থাকে (একটি সামাজিক বিশ্লেষণ)  একটি দেশের সবচেয়ে বড় বিপদ কী? বাইরের শত্রু নয়, দারিদ্র্য নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগও নয়। একটি দেশের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো — সচেতন, শিক্ষিত মানুষের নীরবতা। যে দেশে পড়ালেখা জানা মানুষ জেনেশুনে একজন গুন্ডাকে নেতা বানায়, একজন চোরকে প্রতিনিধি মনোনীত করে, একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ভোট দেয় — সেই দেশে আইনের শাসন টিকিয়ে রাখা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। কেন শিক্ষিত মানুষ এই ফাঁদে পড়ে? এর পেছনে কয়েকটি কারণ কাজ করে। প্রথমত, সুবিধাবাদী মানসিকতা। "আমার কাজটা হলেই হলো" — এই চিন্তা থেকে মানুষ যোগ্যতার বদলে ক্ষমতাবানকে বেছে নেয়। যে লোকটি চাঁদাবাজ, সে কিন্তু নিজের লোকদের "সুবিধা" দিতে পারে — এই হিসেবে তাকে বেছে নেওয়া হয়। দ্বিতীয়ত, ভয় ও আপোষের সংস্কৃতি। সন্ত্রাসীকে চ্যালেঞ্জ করলে বিপদ, তাই চুপ থাকো। এই নীরবতা ধীরে ধীরে সমাজকে নৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেয়। তৃতীয়ত, শিক্ষা আর বিবেকের বিচ্ছেদ। সার্টিফিকেট আছে, কিন্তু নাগরিক দায়িত্ববোধ নেই — এটি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি মারাত্মক ব্যর্থতা। আমরা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী তৈরি করি — ...

কবিতা - - রাজনীতির চক্রবূহ্য

 রাজনীতির চক্রবূহ্য লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান  :-২১/০৩/২০২৬ - : ​সময়ের চাকা ঘুরে যায় অমোঘ নিয়মে, পুরানো শত্রু আজ বন্ধুত্বের সগৌরবে। যিনি ছিলেন একদা বিএনপিকে ভাঙ্গার কারিগর, আজ তিনিই দলের আলোকবর্তিকা, বিশ্বস্ত নির্ভর। ​আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া ছিলেন সেই ঝড়ের অগ্রভাগে, সংস্কারের দাবি তুলেছিলেন জরুরি অবস্থার রাগে। আশরাফ হোসেন, স্বপন কিংবা সর্দার বকুল, ভেঙে দিতে চেয়েছিলেন চেনা রাজনীতির সব কূল। ​কেউ হারিয়েছেন অকালে, কেউ হয়েছেন ব্রাত্য, কারো কাছে রাজনীতি ছিল শুধুই তাত্ত্বিক সত্য। কিন্তু ইতিহাসের পাতা উল্টে আজ দেখি বিস্ময়, মেজর হাফিজ বা জবিউল্লাহ্ এখন আস্থার পরিচয়। ​যাদের হাতে ছিল ভাঙনের ধারালো তলোয়ার, তারাই এখন কর্ণধার, দলের বড় অলঙ্কার। মোহাম্মদ মিজান ঠিকই বলেছেন তাঁর কলমে, নীতি বদলায়, নেতা বদলায় স্বার্থের এই ম্যালবানিজমে। ​মামুলি এই ব্যাপারগুলোই রাজনীতির আসল খেলা, দিনের শেষে সবাই সাজায় নিজের সওদার মেলা। আদর্শের চেয়েও বড় যখন টিকে থাকার লড়াই, ভাঙনকারীই তখন পায় মূল কান্ডারি হওয়ার বড়াই। -----:----- কুয়েত থেকে 

সময়ের উক্তি ১

  সময়ের উক্তি ১ ((((মোহাম্মদ মিজান)))) বিবস্ত্রকে নির্লজ্জ বললে কিবা যায় আসে ! যাঁকে দেখে লজ্জা শরম মিটমিটিয়ে হাসে! হিংসুটেরা মহা খুশি আজ মাজারে করবে ফুর্তি, তাড়িয়ে ছাড়ল কুরআন পাখি দিয়ে ভ্রান্ত যুক্তি । অন্ধের দেশে   কুরআন আয়না          বেচতে এলেন                   আজহারী,             গাঁজার কোলকি           হাতে নিয়ে    তাড়িয়ে ছাড়ল মাজারী। (মোহাম্মদ মিজান) কে মাজারী?কে বাজারি? চিনিয়ে দিল আজহারী, বুঝে গেছেন এ যুবসমাজ কুরআন বেশি দরকারি। (মোহাম্মদ মিজান) নর্তকী আর হরতকি কদিন থাকে শাখে? ভালো মানুষেরা এ তেল গায়ে কি আর মাখে? (((মোহাম্মদ মিজান))) ঝর্ড় বৃষ্টি কিছুই নেই তবু হুজুরের       জনপ্রিয়তার সংকট , বর্তমান যুবসমাজ সচেতন তাই        শুরু হয়েছে বয়কট। (((মোহাম্মদ ম...