সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জিতবে দাঁড়িপাল্লা

 শিরোনাম: দেশ গড়ার ডাক ও আগামীর প্রত্যাশা 🇧🇩

​প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও মনটা পড়ে থাকে প্রিয় মাতৃভূমিতে। ৫৪ বছরের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ সাধারণ মানুষ এক নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখছে। যেখানে দুর্নীতি থাকবে না, থাকবে সৎ ও যোগ্য মানুষের শাসন। আবু সাঈদ, মুগ্ধদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে আমাদের সবার সচেতনতা প্রয়োজন।

​সেই লক্ষ্যেই আমার ছোট একটি কাব্যিক প্রয়াস— "জিতবে দাঁড়িপাল্লা"।


​জিতবে দাঁড়িপাল্লা

​লেখক ✍️ মোহাম্মদ মিজান

(কুয়েত প্রবাসী)

​জাগছে দেশের চাষা-ভূষা

জাগছে মাঝি মাল্লা,

সৎ লোকের শাসন আসবে

জিতবে দাঁড়িপাল্লা।

​পোস্টাল ব্যালটে প্রবাসীরাও

দিচ্ছে এবার ভোট,

পছন্দ তাদের দাঁড়িপাল্লা -

দশ দলীয় জোট।

​চুয়ান্ন বছর চোর বাটপার

ছিলো দেশের ক্ষমতায়,

এবার সৎ লোকের শাসন

আসবে বলছে জনতায়।

​দূর্নীতি আর চাদাঁবাজ মুক্ত

হবে যে দেশের জনপথ,

যোগ্যদের হাতে দেশ থাকবে

জনগণ নিয়েছে শপথ।

​আবু সাঈদ, মুগ্ধ, হাদী

দিয়ে গেছে যেই আজাদী

সেই আজাদী রক্ষা করতে

সাহায্য করো দয়াল আল্লাহ।

​জাগছে দেশের চাষা-ভূষা

জাগছে মাঝি মাল্লা,

সৎ লোকের শাসন আসবে

জিতবে দাঁড়িপাল্লা।

----:----

​কবিতার মর্মার্থ (একনজরে):

​এই কবিতাটি মূলত একটি শোষণমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা দুর্নীতি ও অপশাসনের অবসান ঘটিয়ে সৎ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তা এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বিশেষ করে প্রবাসীদের ভোটাধিকার এবং ছাত্র-জনতার বিপ্লবের শহিদদের স্মৃতিকে আগলে রেখে একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আকুতিই এই কবিতার মূল সুর।

​#বাংলাদেশ #নতুনবাংলাদেশ #সৎলোকেরশাসন #প্রবাসীদেরভাবনা #মোহাম্মদমিজান #কবিতা #বিপ্লব

#Bangladesh #জামায়াত #কুয়েতথেকে

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস

  ​প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প ​নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। ​কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। ​টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। ​কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। ​দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...

মসজিদে বসে রাজনৈতিক আলোচনা বা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে কথা বলা যাবে কি?

 মসজিদে বসে রাজনৈতিক আলোচনা বা রাষ্ট্রীয় বিষয়ে কথা বলা যাবে কি?  ইদানিং আমাদের দেশের একটা দল বা গুষ্টি মসজিদের ভিতরে আলোচনা করা নিয়ে খুব ধার্মিকতা দেখাচ্ছে,  অথচ রাসূল (সাঃ)-এর যুগে এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের উত্তম যুগে মসজিদে বসেই রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো আঞ্জাম দেওয়া হতো। ​মসজিদ, বিশেষ করে মসজিদে নববী, সেসময় শুধু নামাযের স্থান ছিল না। এটি ছিল মদিনা রাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় প্রাণকেন্দ্র। ​মসজিদে নববীর বহুমুখী ভূমিকা ​রাসূল (সাঃ)-এর সময় এবং পরবর্তী খুলাফায়ে রাশেদীনের যুগে মসজিদ প্রধানত নিম্নলিখিত কাজগুলোর কেন্দ্র ছিল: ​রাষ্ট্রীয় কার্যনির্বাহী কেন্দ্র: খলিফারা মসজিদে বসেই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ সভা (শুরা) করতেন। এটি এক প্রকার কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের মতো কাজ করত। ​বিচার বিভাগীয় কেন্দ্র: মসজিদ ছিল ন্যায়বিচার ও সালিশের প্রধান স্থান। খলিফা বা নিয়োজিত বিচারকগণ এখানেই জনগণের অভিযোগ শুনতেন এবং বিচারকার্য সম্পন্ন করতেন। শিক্ষাকেন্দ্র: নতুন মুসলিমদের দ্বীন শিক্ষা দেওয়া, কুরআন ও হাদিসের দারস প্রদান এবং জ্ঞানের চর্চার ...

তৃতীয় দৃষ্টি

 তৃতীয় দৃষ্টি  ----:---- খারাপ ছবি খারাপ ভিডিও খারাপ আমি জানি, গল্প কবিতায় খারাপ শব্দ খারাপ কজনে মানি? বেশ্যা শব্দ ভীষণ খারাপ বলবে সবাই নির্দ্বিধায়, সেই বেশ্যা পাড়ার মাটি দিয়ে দুর্গা মুর্তি তৈরী হয়। কাকে তুমি খারাপ বলবে খদ্দর নাকি পতিতা? তোমার চোখে খারাপ কে চিন্তা নাকি কল্পিতা?  লজ্জা তোমার কোথায় থাকে মনে নাকি চোখে?  কেন তোমার মনে কামনা জাগে শিশু খাদ্য দেখে?  প্রশ্ন করবে নিজেকে নিজে কি পরিবর্তন দরকার! চার এপাশের সমাজ ব্যবস্থা নাকি রাষ্ট্রের সরকার? --কুয়েত থেকে ১০ /০৫ /২০২৫