সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিসমিল্লাহ এর উপর প্রস্রাব

 

​✊ প্রতিবাদের ভাষা: ফেনী-১ আসনে জনরায় ও অপমানের ন্যাক্কারজনক চিত্র

​বক্তব্য: বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে কোনো প্রচার-প্রচারণা না হলেও রেকর্ড ব্যবধানে তাঁর জয় সুনিশ্চিত, ইন শা আল্লাহ। কিন্তু এই সুনিশ্চিত জনরায়ের প্রতি যে নির্লজ্জ অপমান করা হয়েছে, তা দেশের রাজনীতিতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

​১. নীরবতার শক্তি, জনসমর্থনের ভিত্তি

​ফেনী-১ আসনটি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া'র দুর্গ হিসেবে পরিচিত। এটি প্রমাণিত সত্য যে এই আসনে তাঁর বিজয় কোনো প্রচারণার ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং তা তাঁর প্রতি জনগণের গভীর আস্থা, ভালোবাসা এবং সমর্থন-এর বহিঃপ্রকাশ। একজন কারাবন্দী নেত্রী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে জনগণের সামনে অনুপস্থিত, তাঁর নামেই যদি ভোটের ফলাফল নির্ধারিত হয়, তবে এটিই প্রমাণ করে – জনগণ কাকে তাদের নেত্রী হিসেবে দেখতে চায়। এই নীরব সমর্থনই হলো গণতন্ত্রের আসল শক্তি। আমরা বিশ্বাস করি, প্রচারণার অভাব সত্ত্বেও তাঁর বিজয় হবে ঐতিহাসিক ব্যবধানে।

​২. ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি চরম অবমাননা

​কিন্তু সম্প্রতি যে ঘটনাটি প্রকাশ্যে এসেছে, তা কেবল একজন প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যানারের ওপর আক্রমণ নয়, বরং দেশের ধর্মীয় মূল্যবোধের ওপর চরম আঘাত।

কিন্তু সোস্যাল মিডিয়াতে দেখলাম জামায়াতের প্রার্থীর ব্যানারে লেখা 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম'-এর ওপরে কতিপয় ব্যক্তি মূত্র বিসর্জন করেছে।

​⚠️ এই ন্যক্কারজনক কাজ: 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' – এই পবিত্র বাক্যটি কোটি কোটি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। এই বাক্যকে উদ্দেশ্য করে এমন জঘন্য কাজ কেবল রাজনৈতিক শিষ্টাচারের লঙ্ঘন নয়, এটি ধর্মীয় অনুভূতির প্রতি চরম অবমাননা এবং সমাজবিরোধী কাজ। যারা এমন ঘৃণ্য কাজ করতে পারে, তারা কখনোই সভ্য সমাজের অংশ হতে পারে না। বেগম খালেদা জিয়ার ভাষায় তারা "বস্তি'র পোলা" হোক বা অন্য কেউ, তাদের এই ঔদ্ধত্য ক্ষমা অযোগ্য।

​৩. প্রশ্ন: কেন এই জঘন্য কাজ?

​যেকোনো সভ্য সমাজে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, কিন্তু এমন বর্বরতা কেন? এর পেছনে কি প্রতিপক্ষের প্রতি গভীর হতাশা, ভয়, নাকি ষড়যন্ত্রের ইন্ধন কাজ করছে?

​যখন প্রচার-প্রচারণা ছাড়াই জনগণের অদম্য সমর্থন একজন প্রার্থীর পক্ষে থাকে, তখন দুর্বল প্রতিপক্ষ নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনরায়কে ভিন্ন পথে চালিত করার চেষ্টা করে।

​এই ধরনের কাজ রাজনৈতিক হীনম্মন্যতা এবং নৈতিক দেউলিয়াত্বের পরিচয় বহন করে।

​৪. আমাদের প্রত্যয়

​আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই: অপমান করে জনমতকে থামানো যাবে না!

​যারা এই ঘৃণ্য কাজের সাথে জড়িত, তাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সাথে, ফেনী-১ আসনের জনগণ এই অপমানের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দেবে।

​আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, সকল ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে দিয়ে ফেনী-১ আসনে বেগম খালেদা জিয়া'র রেকর্ড ব্যবধানে বিজয় হবে ইন শা আল্লাহ। এই বিজয় হবে কেবল একজন নেত্রীর নয়, এটি হবে গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং জনমতের প্রতি অসম্মানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বিজয়!

--:--

✍️ এআই মোহাম্মদ মিজান

কুয়েত থেকে

০৪/১১/২০২৫ 

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সময়ের উক্তি : ✍️মোহাম্মদ মিজান

সময়ের উক্তি ((((লেখক✍️মোহাম্মদ মিজান)))) বিবস্ত্রকে নির্লজ্জ বললে কিবা যায় আসে ! যাঁকে দেখে লজ্জা শরম মিটমিটিয়ে হাসে! হিংসুটেরা মহা খুশি আজ মাজারে করবে ফুর্তি, তাড়িয়ে ছাড়ল কুরআন পাখি দিয়ে ভ্রান্ত যুক্তি । অন্ধের দেশে   কুরআন আয়না          বেচতে এলেন                   আজহারী,             গাঁজার কোলকি           হাতে নিয়ে    তাড়িয়ে ছাড়ল মাজারী। (মোহাম্মদ মিজান) কে মাজারী?কে বাজারি? চিনিয়ে দিল আজহারী, বুঝে গেছেন এ যুবসমাজ কুরআন বেশি দরকারি। (মোহাম্মদ মিজান) নর্তকী আর হরতকি কদিন থাকে শাখে? ভালো মানুষেরা এ তেল গায়ে কি আর মাখে? (((মোহাম্মদ মিজান))) ঝর্ড় বৃষ্টি কিছুই নেই তবু হুজুরের       জনপ্রিয়তার সংকট , বর্তমান যুবসমাজ সচেতন তাই        শুরু হয়েছে বয়কট। (((মোহাম্মদ মিজা...

প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস

  ​প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প ​নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। ​কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। ​টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। ​কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। ​দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...

যদি এমন হয়!!!

 যদি এমন হয়!!!  ✍️ মোহাম্মদ মিজান ............ 🇧🇩 ........  #আইচ্ছা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যদি বলেন চার বাহীনির প্রধান এখন থেকে আমি এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেই আমি এই পদ গুলো ছেড়ে দেব, তখন কি করবেন? #আগামী কাল ঘুম থেকে উঠে যদি শুনেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আওয়ামী লীগের নিয়োগ দেওয়া বিতর্কিত ব্যক্তি শাহাব উদ্দিন চুপ্পুকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন! এবং তিনি ঘোষণা করেছেন যে আগামীতে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে তারাই একজন যোগ্য লোককে নতুন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিবে সবার মতামতের ভিত্তিতে, তখন কারো কিছু করার থাকবে কী?  #আজকে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে যদি নির্বাচন কমিশন এমন একটা আইন জারি করে যে আগামী নির্বাচনে যেই দল যে আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবে সেখানে যদি ঐ দলেরই কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়ায় তবে ঐ দলের কেউ ঐ আসনে আর নির্বাচন করতে পারবে না, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন এমন আইন করতেই পারে তখন দল গুলোর অবস্থা কেমন হবে?  #সর্ব শেষ একটা কথা বলি - য...