------সুন্দর আগামী
------মোহাম্মদ মিজান
- - - - - - - - - - - -
আমি তোমাদের জন্য - রেখে যেতে চাই
এক স্বপ্নীল পৃথিবী,
ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত - দূর করে বেকারত্ব
দিয়ে যেতে চাই সুন্দর - এক আগামী । ।
থাকবেনা ধনী গরীবের - কোনো ভেদাভেদ,
থাকবে অফুরন্ত মানবিকতা - আর আবেগ । ।
ভালোবাসা দিয়ে - ভরে দিবো এই ধরণী ।
আমি তোমাদের জন্য - রেখে যেতে চাই
এক স্বপ্নীল পৃথিবী ।
ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত - দূর করে বেকারত্ব
দিয়ে যেতে চাই সুন্দর - এক আগামী ।
বাস্তহারা গাছ তলাতে - তুমি আমি সোনার খাটে,
বস্তির শিশু দিন মজুর ।
মানব অধিকারের নাম দিয়ে - - - সেমিনার
কম্পোজিয়াম করে - এ গিয়েছ আর কত দূর ? । ।
এখনও রাস্তায় দেখি - দু মুঠো ভাতের লাগি
ছেড়া কাপড়ে কত ভিখারি । ।
ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত - দূর করে বেকারত্ব,
দিয়ে যেতে চাই সুন্দর - এক আগামী ।
আমি তোমাদের জন্য - রেখে যেতে চাই
এক স্বপ্নীল পৃথিবী । ।
তুমি জন্মেছ এইদেশে - আমি আসিনি বন্যায় ভেসে
সুতারাং তোমার আমার - অধিকার সমান সমান ।
আমি ও চাই তোমার মতো - --অন্য বস্ত্র
শিক্ষা বাসস্থান । ।
অন্তরে নিয়ে ক্ষত - বাঁচবো আর কত?
আমি মানুষ নামের - এক আজব প্রাণী । ।
ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত - দূর করে বেকারত্ব,
দিয়ে যেতে চাই সুন্দর - এক আগামী ।
আমি তোমাদের জন্য - রেখে যেতে চাই
এক স্বপ্নীল পৃথিবী ।।
রচনাকাল : ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ ইং
প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন