সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্বাধীনতার কবিতা,

-----আজ ৫এ জানুয়ারি ---মোহাম্মদ মিজান -  - -
- ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ইং তারিখ
কেউ বলে গণতন্ত্র দিবস -
      আবার কেউ বলে হত্যা ,
          আসলে কী হয়েছিল ৫এ জানুয়ারির
                              সেই বিতর্কিত নির্বাচনটা?
বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়
       একশত তেপ্পান্ন আসন ,
                তবু সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে
                       বলে আমাদের নির্বাচন কমিশন ।
চলছে দেশ-বসছে সংসদ
           হচ্ছে কত আইন পাশ ,
                   কার কী আসে যায় বলো?
                           হলে এদেশের সাড়ে সর্বনাশ ।
ভাতের বদলে আলু খেতে
           মন্ত্রী দিলো সাজেশন ,
                   সহনীয় ঘুষ খেতে বলে
                              আর এক মন্ত্রী বাবু এখন ।
কত টাকাকড়ি লুট হলো
         এমপি মন্ত্রী হলো মালামাল,
               ঘরে ঘরে চাকরি পায়নি কেউ
                    দলিয় নিয়োগ ফেল কিছু আবাল ।
আইন আদালত কোট কাছারি
           কোথাও নেই আজ গণতন্ত্র ,
                সর্বত্র ভূলুণ্ঠিত মানব অধিকার
                           এ কেমন স্বাধীনতার মূল মন্ত্র ।
লক্ষ শহীদ কী রক্ত দিয়েছিল
            পেতে এমন বাংলাদেশ!
                   খুন গুম জুলুম অত্যাচারের
                          কেন আজও রাজত্ব হয়না শেষ ?
চরম ইসলাম বিদ্বেষী মন্ত্রী হয়
           মুসলমানদের এই বাংলাদেশে ,
                     রাষ্ট্র পরিচালনার কান্ড দেখে
                              বিশ্ববাসী আজ অট্টহাসি হাসে।
তাইতো বলি আজ গণতন্ত্র হত্যা দিবস নয় শুধু ,
              মানবতা হত্যা দিবস,
আপসোস শুধু তাদের জন্য যারা স্বৈরতন্ত্রের সাথে
            আজ করেছে আপোষ ।
রচনাকাল : ০৫ জানুয়ারি ২০১৮ ইং তারিখ

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সময়ের উক্তি : ✍️মোহাম্মদ মিজান

সময়ের উক্তি ((((লেখক✍️মোহাম্মদ মিজান)))) বিবস্ত্রকে নির্লজ্জ বললে কিবা যায় আসে ! যাঁকে দেখে লজ্জা শরম মিটমিটিয়ে হাসে! হিংসুটেরা মহা খুশি আজ মাজারে করবে ফুর্তি, তাড়িয়ে ছাড়ল কুরআন পাখি দিয়ে ভ্রান্ত যুক্তি । অন্ধের দেশে   কুরআন আয়না          বেচতে এলেন                   আজহারী,             গাঁজার কোলকি           হাতে নিয়ে    তাড়িয়ে ছাড়ল মাজারী। (মোহাম্মদ মিজান) কে মাজারী?কে বাজারি? চিনিয়ে দিল আজহারী, বুঝে গেছেন এ যুবসমাজ কুরআন বেশি দরকারি। (মোহাম্মদ মিজান) নর্তকী আর হরতকি কদিন থাকে শাখে? ভালো মানুষেরা এ তেল গায়ে কি আর মাখে? (((মোহাম্মদ মিজান))) ঝর্ড় বৃষ্টি কিছুই নেই তবু হুজুরের       জনপ্রিয়তার সংকট , বর্তমান যুবসমাজ সচেতন তাই        শুরু হয়েছে বয়কট। (((মোহাম্মদ মিজা...

প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস

  ​প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প ​নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। ​কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। ​টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। ​কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। ​দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...

যদি এমন হয়!!!

 যদি এমন হয়!!!  ✍️ মোহাম্মদ মিজান ............ 🇧🇩 ........  #আইচ্ছা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যদি বলেন চার বাহীনির প্রধান এখন থেকে আমি এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেই আমি এই পদ গুলো ছেড়ে দেব, তখন কি করবেন? #আগামী কাল ঘুম থেকে উঠে যদি শুনেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আওয়ামী লীগের নিয়োগ দেওয়া বিতর্কিত ব্যক্তি শাহাব উদ্দিন চুপ্পুকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন! এবং তিনি ঘোষণা করেছেন যে আগামীতে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে তারাই একজন যোগ্য লোককে নতুন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিবে সবার মতামতের ভিত্তিতে, তখন কারো কিছু করার থাকবে কী?  #আজকে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে যদি নির্বাচন কমিশন এমন একটা আইন জারি করে যে আগামী নির্বাচনে যেই দল যে আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবে সেখানে যদি ঐ দলেরই কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়ায় তবে ঐ দলের কেউ ঐ আসনে আর নির্বাচন করতে পারবে না, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন এমন আইন করতেই পারে তখন দল গুলোর অবস্থা কেমন হবে?  #সর্ব শেষ একটা কথা বলি - য...