একটি ফানি জোকস
--মোহাম্মদ মিজান -
ছেলে নতুন ক্লাসে উঠেছে,
তাই বাবা নতুন বইয়ের গাইড বই কিনে দিতে বাজারে একটি বইয়ের দোকানে গেলেন ছেলেকে সাথে নিয়ে ।
লিষ্ট দেখে দোকানদার বলল সবগুলো বই নিলে চার হাজার টাকা আসবে ।
বাবা একটু আচার্য্য হয়ে বললেন - চার হাজার টাকা ? ?
ছেলে বাপকে ইশারা করে বলে মাথা নিচু করতে,
সে কানে কানে কিছু বলবে।
বাবা মাথা ঝুঁকিয়ে ছেলের মুখের কাছে কান লাগালে ছেলের ফিস ফিস করে বলে,
আব্বু সব বই নেয়ার দরকার নেই পরিক্ষা শুরু হওয়ার আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস হবে তখন পাঁচ'শ টাকা খরচ করলেই আমি নিশ্চিত পাশ করবো ।
তোমার বাকি সাড়ে তিন হাজার টাকা বেঁচে যাবে।
ছেলের কথা শুনে বাপ আরো অবাক হয়ে বলে-
তুমি নিশ্চিত কিভাবে হলে যে প্রশ্নপত্র ফাঁস হবেই?
ছেলে হাসতে হাসতে বলে -
আরে বাবা আমগো নাহিদ স্যার যতদিন শিক্ষা মন্ত্রী হিসাবে আছে !
আমি নিশ্চিত প্রশ্নপত্র ফাঁস হবেই -
তুমি কোনো চিন্তা করিওনা ।
পাঁচ'শ টাকায় নিশ্চিত পাশ -হা হা হা।
রচনাকাল : ৬ মার্চ ২০১৮ ইং
( লেখক কতৃক সংরক্ষিত )
প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন