সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রিয় বাংলা একাডেমী

 প্রিয় বাংলা একাডেমী:- 

স্বৈরাচারকে তো ড্রাসবিন বানালে

কিন্তু তোমার আশেপাশের ময়লা গুলো কখন সেই ড্রাসবিনে ফেলবে?

গত ১৫ বছর ধরে যে স্বৈরাচার হাসিনার গুণগান গাইতে গাইতে যাদের স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন কেটেছে তোমার আঙিনায়। 


গত ১৫টি বছর যারা অন্যায় অবিচার দূর্শাসন জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করাতো দূরের কথা একটি প্রতিবাদী লেখাও লেখেনি, 

বরং প্রতিদিন কতশত তথাকথিত সাহিত্য সংগঠনের মঞ্চে উপস্থিত থাকত উত্তরীয় গলায় ঝুলিয়ে- তারাই জুলাই বিপ্লবের পর মহা প্রতিবাদী লেখক কবি সাহিত্যিক হয়ে গেল! 


যাদের প্রোফাইল চেক করে দেখলে তুমি জুলাই বিপ্লবের ৩৬ দিনে ছাত্র জনতার পক্ষে একটি পোস্ট ও পাবে না, যখন ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার খুনি হাসিনা পালিয়ে যায় সেই মূহুর্ত হতে তারা রং বদলিয়ে পেলে। 


প্রিয় বাংলা একাডেমী তুমি কি জানো! জুলাই বিপ্লবের অন্যতম বীর আবু সাঈদ শহীদ হওয়ার পর এই ময়লা গুলো আবু সাঈদকে নিয়েও বিদ্রুপ করে পোস্ট করে, 

এখনো স্বৈরাচার হাসিনাকে আবার নানা রকম পরিকল্পনা করছে। 


যদিও ওরা অনেকেই বিগত দিনে আওয়ামীলীগের পক্ষে করা অনেক পোস্ট ডিলিট করে পেলেছে, 

তার পরেও খোঁজ নিয়ে দেখলে দেখা যাবে এদের বেশির ভাগ প্রেসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী।


শুনেছি কবি সাহিত্যিক লেখক সাংবাদিক নাকি সমাজের আয়না জাতির বিবেক, 

কিন্তু এরা দেখি একএকটা দলবাজ, তেলবাজ সুবিধা ভোগী। 


সাহিত্যের ক্ষুদ্র পাঠক হয়ে গত পনেরো বছর অন্যায় অবিচার দূর্শাসন জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে কবিতা লিখে গেছি আমি, 

বিনিময়ে এদের কাছে পেয়েছি অসহযোগিতা, তিরস্কার ও জঘন্য অপবাদ- 

এমন কি আমার লেখা গুলো তাদের গ্রুপে এফ্রুভ পর্যন্ত করতো না। 


সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা আমার বাড়ি ঘর লুটপাট করে, আমার মুক্তি যোদ্ধা বাবাকে লাঞ্ছিত করে, প্রায় দশ বছর ধরে দেশে আসতে পারিনি।

পনেরো বছরে তিন হাজারের অধিক প্রতিবাদী লেখা পোস্ট করা আমার ফেসবুক আইডিটা ডিজেবল করে করে দেয়। 


প্রিয় বাংলা একাডেমী তুমিতো এই জাতির মেরুদন্ড তৈরীর আতুর ঘর, 

তোমার ভিতরে যদি এমন চাটুকার, 

চরিত্রহীন দুর্নীতিবাজ মানুষ থাকে কি

 করে তুমি শিক্ষিত মানুষ তৈরি করবে! 

তাই বিনিত অনুরোধ এই বিপ্লবী সরকারের আমলেই নিজেকে সুধরে নিয়ে সমস্ত অপসংস্বকৃতির বিরুদ্ধে জোরালো পদক্ষেপ নিয়ে সব ময়লা পরিষ্কার করতে হবে। 


পদলেহনকারি অযোগ্য অপদার্থ দলবাজদের বিদায় করে যোগ্য ও মেধাবী লেখক লেখিকাদের সঠিক মূল্যায়ন করুন, 

ম্যাকাপ সুন্দরী নয় - মানসম্মত সুন্দর লেখা যাচাই বাছাই করে আগামী প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশের সমস্ত মানুষের হাতে তুলে দিন। 

অন্তত এই বিপ্লবী সরকারের আমলে একুশে পুরস্কার বিতরণে যোগ্যদের নাম ঘোষণা করার বিশেষ অনুরোধ করছি, বিতর্কিত ব্যক্তিদের পুরস্কৃত করা থেকে বিরত থাকুন। 

------:----

ধন্যবাদান্তে বাংলা একাডেমীর একজন শুভাকাঙ্ক্ষী। 

✍️ মোহাম্মদ মিজান 

 ২০ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খৃস্টাব্দ 


@highlight

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সময়ের উক্তি : ✍️মোহাম্মদ মিজান

সময়ের উক্তি ((((লেখক✍️মোহাম্মদ মিজান)))) বিবস্ত্রকে নির্লজ্জ বললে কিবা যায় আসে ! যাঁকে দেখে লজ্জা শরম মিটমিটিয়ে হাসে! হিংসুটেরা মহা খুশি আজ মাজারে করবে ফুর্তি, তাড়িয়ে ছাড়ল কুরআন পাখি দিয়ে ভ্রান্ত যুক্তি । অন্ধের দেশে   কুরআন আয়না          বেচতে এলেন                   আজহারী,             গাঁজার কোলকি           হাতে নিয়ে    তাড়িয়ে ছাড়ল মাজারী। (মোহাম্মদ মিজান) কে মাজারী?কে বাজারি? চিনিয়ে দিল আজহারী, বুঝে গেছেন এ যুবসমাজ কুরআন বেশি দরকারি। (মোহাম্মদ মিজান) নর্তকী আর হরতকি কদিন থাকে শাখে? ভালো মানুষেরা এ তেল গায়ে কি আর মাখে? (((মোহাম্মদ মিজান))) ঝর্ড় বৃষ্টি কিছুই নেই তবু হুজুরের       জনপ্রিয়তার সংকট , বর্তমান যুবসমাজ সচেতন তাই        শুরু হয়েছে বয়কট। (((মোহাম্মদ মিজা...

প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস

  ​প্রবাসের দীর্ঘশ্বাস: নাজমুলের গল্প ​নাজিমুল—একটি নাম, যার শুরু হয় ছব্বিশ বছরের ক্লান্তিহীন সংগ্রাম। ​কুয়েতের তপ্ত বালিতে তার জীবন কেটেছে। সূর্য ওঠার আগে শুরু হওয়া কাজ আর গভীর রাতে ফেরা—এই ছিল তার দৈনন্দিন রুটিন। কোনোদিন রাজমিস্ত্রির জোগালি, কোনোদিন দোকানের কর্মচারী, কখনও বা ছোটখাটো নির্মাণ কাজ। সেলাইয়ের কাজ। বিদেশী হোটেলে চা কফি বার্গার বানানো মতো কাজ । প্রতিটি ইটের কণার মতো হালাল উপার্জনের প্রতিটি টাকা ছিল তাঁর কপাল বেয়ে ঝরে পড়া নোনা জলের ফসল। এই কষ্ট তিনি হাসিমুখে সয়েছেন, কারণ প্রতিটি দিনশেষে তাঁর মনে হতো, এই টাকাটা হাজার মাইল দূরে থাকা তাঁর পরিবারের মুখের হাসি হয়ে ফিরবে। ​টাকা জমলেই তিনি পাঠিয়ে দিতেন দেশে। মনে শান্তি পেতেন, ভাবতেন তাঁর ভাই-বোনেরা হয়তো তাঁর কষ্টের কথা মনে রেখে এই টাকা দিয়ে একটা সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ছে। ​কিন্তু দীর্ঘ ছাব্বিশ বছর পর, যখন প্রবাস জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তিনি স্বদেশের মাটিতে পা রাখতে চাইলেন, তখন আসল চিত্রটা তাঁর সামনে এল। ​দেশে এসে তিনি দেখলেন, তাঁর পাঠানো টাকা দিয়ে কেনা জমি বা বাড়ি কিছুই সুসংগঠিত নেই। বরং তাঁর ভাই-বোনেরা সেই কষ্টের টাকা নিজেদে...

যদি এমন হয়!!!

 যদি এমন হয়!!!  ✍️ মোহাম্মদ মিজান ............ 🇧🇩 ........  #আইচ্ছা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার যদি বলেন চার বাহীনির প্রধান এখন থেকে আমি এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেই আমি এই পদ গুলো ছেড়ে দেব, তখন কি করবেন? #আগামী কাল ঘুম থেকে উঠে যদি শুনেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস স্যার আওয়ামী লীগের নিয়োগ দেওয়া বিতর্কিত ব্যক্তি শাহাব উদ্দিন চুপ্পুকে বাংলাদেশের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছেন! এবং তিনি ঘোষণা করেছেন যে আগামীতে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করবে তারাই একজন যোগ্য লোককে নতুন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ দিবে সবার মতামতের ভিত্তিতে, তখন কারো কিছু করার থাকবে কী?  #আজকে কেন জানি আমার মনে হচ্ছে যদি নির্বাচন কমিশন এমন একটা আইন জারি করে যে আগামী নির্বাচনে যেই দল যে আসনে প্রার্থী ঘোষণা করবে সেখানে যদি ঐ দলেরই কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড়ায় তবে ঐ দলের কেউ ঐ আসনে আর নির্বাচন করতে পারবে না, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন এমন আইন করতেই পারে তখন দল গুলোর অবস্থা কেমন হবে?  #সর্ব শেষ একটা কথা বলি - য...